কনকচাঁপা মনোনয়ন না পাওয়ায় বিএনপির ভেতরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের আবহ
জাতীয় নির্বাচনে nomination পাওয়া নিয়ে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপার বিরুদ্ধে দলের ভেতর থেকেই pressure তৈরি হয়েছিল—এমন অভিযোগ উঠেছে। বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য application করতে গিয়ে তিনি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় নেত্রীর কাছ থেকে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কনকচাঁপা নিজের ফেসবুক পোস্টে বলেন, ‘যারা চায়নি আমি মনোনয়ন পাই, তারা এখনো underhanded efforts লিপ্ত।’
এই বক্তব্য দলের ভেতরের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ইঙ্গিত দেয়, যেখানে রাজপথের লড়াইয়ের দাবিদার নেত্রীরা মনে করেন যে, আর্টিস্টদের তুলে আনা হচ্ছে নিয়মিত কর্মীদের উপরে। বগুড়ার নেত্রী সুরাইয়া জেরিন প্রশ্ন তোলেন, ‘কয়টা মামলা খেয়েছে কনকচাঁপা? কয়টা লড়াইয়ে অংশ নিয়েছে?’ তাঁর মতে, ১৭ বছর ধরে দলের জন্য তিনি জেল গেছেন, মামলা খেয়েছেন, আর কনকচাঁপা ‘এতদিন কোথায় ছিল?’
কনকচাঁপা জবাবে বলেন, তিনি রাজনীতিতে আসেন ২০১৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে। তিনি স্বীকার করেন, রাজনীতিবিদ নন, কিন্তু followed orders মান্য করেছেন। বিগত সরকারের সময়ে তাঁর গাওয়া নিষিদ্ধ হওয়ায় তিনি lost career , মানসিক ও আর্থিকভাবে drained হয়েছেন। একজন শিল্পী হিসাবে তাঁর এই ত্যাগের কোনো recognition পাওয়া যায়নি।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, মনোনয়ন চাওয়া সবার right , কিন্তু নীতিনির্ধারকদেরও রয়েছে selection ক্ষমতা। যদিও তিনি ব্যক্তিগত অন্যায়ের কথা আল্লাহর উপর ছেড়ে দিলেও, তাঁর আশঙ্কা, এই ঘাটতি party image ক্ষুণ্ণ করবে। এই সংঘাত দেখায় কীভাবে রাজনৈতিক দলগুলো internal conflict এবং সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের ভারসাম্য বজায় রাখতে চায়।
একজন শিল্পী রাজনীতিতে এলেই যদি তাঁর বিরুদ্ধে মামলা-জেলের মাপকাঠি প্রয়োগ করা হয়, তাহলে কি দল diversity বৈচিত্র্য চায় নাকি একঘেয়েমি?
রাজনীতিতে শিল্পীদের জায়গা হওয়া উচিত, কিন্তু তার আগে দলের ভেতরের কর্মীদের trust আস্থা হারানো ঠিক না।
জেরিনের প্রশ্নগুলো বোঝা যায়—১৭ বছর লড়াই করে যারা এসেছে, তাদের মনে frustration হতাশা থাকা স্বাভাবিক।
কনকচাঁপা যদি সত্যিই দলের জন্য কিছু করে থাকেন, তাহলে তাঁর sacrifice ত্যাগ কেন কেউ দেখবে না?
দল কি জনপ্রিয়তা চায় নাকি loyalty আনুগত্য? নাকি দুটোর মধ্যে ভারসাম্য হারাচ্ছে?
মনোনয়ন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হলে এমন বিতর্ক কমত—transparency স্বচ্ছতা না থাকলে অভিযোগ থাকবেই।