পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচন 2026: ‘একটাও ভুল করবেন না, সব ভোট TMCকেই দেবেন’, রান্না...
২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ ভোটের আগে উত্তাপ বাড়ছে দ্রুত tension এর মধ্যে। ভোটকালীন সহিংসতা, legal মামলা, এবং কেন্দ্রীয় তদন্তের চাপ একসঙ্গে জমে উঠছে। মুর্শিদাবাদ ও গোসাবায় গুলি বিনিময়ের ঘটনায় লাগাতার চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর একজন জওয়ান গুলিবিদ্ধ হন, আবার তৃণমূল কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগে তিনজন বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। এই ঘটনাগুলো highlight ভোটের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের।
আইনি ময়দানেও প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী filed সুপ্রিম কোর্টে, অভিযোগ করেন ভোটার তালিকা ফ্রিজ হওয়ার পরেও ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে হাজার হাজার নতুন ভোটার যুক্ত করা হচ্ছে, যা বেআইনি। তৃণমূল এই অভিযোগকে back করে আসছে। আবার অ্যাপেলেট ট্রাইবুনালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মানছে না, যা বিচার ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
এদিকে, ইডি একাধিক নেতা ও ব্যবসায়ীকে তলব করছে। ব্যবসায়ী জয় কামদারের অ্যাকাউন্টে ৪ মাসে ৫০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে। আইপ্যাকের ডিরেক্টর ঋষিরাজ সিং, কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিনহাসহ বেশ কয়েকজনকে summoned করা হয়েছে। তাদের দুই ছেলেসহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে বেআইনি লেনদেনের।
ভোটের মাঠে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁদের অনেক কর্মীকে গ্রেফতার করার plan রয়েছে। তিনি বলেন, তাঁদের কাছে সেই তালিকা রয়েছে। আবার বিজেপিকে সবচেয়ে বড় thief বলে আখ্যা দেন। একইসঙ্গে ভোটাধিকার রক্ষার আহ্বান জানান তিনি।
নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করেছে, প্রিসাইডিং অফিসারদের বুথে যাওয়ার আগে মুচলেকা দিতে হবে। এটি নতুন নির্দেশিকা, কিন্তু বিরোধীরা প্রশ্ন তুলেছে—কেন এমন ব্যবস্থা? এই সব ঘটনা মিলিয়ে ভোটের আগের মাঠ দেখাচ্ছে অস্থির, high-stakes , আর রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখাচ্ছে ক্রমশ তীব্র rivalry ।
ভোটের আগে এত violence সহিংসতা দেখে ভয় লাগছে। সাধারণ মানুষ কীভাবে ভোট দেবে?
আরেকটা ভোট, আরেকটা দুর্নীতির মামলা। কখনও কি এই চক্র থামবে? cycle চক্র তো আর শেষ হচ্ছে না।
মমতা বলছেন বিজেপি চোর, কিন্তু তাঁদের নিজেদের মধ্যেও কি দুর্নীতি নেই? অসামঞ্জস্য খুব বেশি।
মুচলেকা দেওয়ার নির্দেশিকা কতটা effective কার্যকর হবে, সেটা নিয়ে প্রশ্ন।
৫০০ কোটি টাকা? এই amount পরিমাণ কেউ কীভাবে লুকিয়ে রাখে এক মাসে?
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ না মানা হলে justice বিচার কোথায় যাবে? এটা গুরুতর বিষয়।
ভোট মানে শুধু রাজনীতি নয়, এটা democracy গণতন্ত্র রক্ষা করার লড়াই। সবাইকে সচেতন হতে হবে।