কলকাতায় তৃণমূল নেতাদের বাড়ি-অফিসে তল্লাশি ইডির, ভয় নেই বলেন মমতা
কলকাতায় প্রভাবশালী তৃণমূল নেতাদের বাড়ি ও অফিসে search চালানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থার। বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে এই action নিয়ে উত্তাপ ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে। দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী আসনের বিধায়ক leader দেবাশিস কুমারের বাসভবন এবং অফিসে ভোর ছয়টা থেকে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা তল্লাশি শুরু করেন। পাশাপাশি, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবক মিরাজ শাহের বাড়িতেও চালানো হয় একই operation । এই ঘটনা নির্বাচনী রাজনীতির সঙ্গে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্কের tension আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্র চয়নবিশেষে pressure তৈরি করছে বিরোধী দলের উপর। তিনি বলেছেন, 'বিজেপি শেষ মরণকামড় দিচ্ছে। কিন্তু আমাদের fear নেই।' তাঁর মন্তব্যে স্পষ্ট রাজনৈতিক confidence এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির প্রতি distrust প্রকাশ পেয়েছে। তিনি জানতে চেয়েছেন, কতজন বিজেপি নেতার বাড়িতে তল্লাশি হয়েছে, যা তাঁর অভিযোগকে জনসমর্থনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
অমিত গাঙ্গুলি নামের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে দেবাশিস কুমারের সম্পর্ক খতিয়ে দেখার জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে সূত্র মানে। আগেও ইডি তাঁকে তিনবার question করেছে জমি জালিয়াতির case । এই ধরনের investigation ঘিরে তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে, যদিও তাঁরা বলছেন, এতে তাদের morale কমবে না, বরং বাড়বে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মইদুল ইসলাম বলেছেন, এই ধরনের timing তল্লাশি তৃণমূলকে victim হিসেবে দেখানোর সুযোগ করে দিচ্ছে। এতে দল support বাড়াতে পারে ভোটারদের কাছে। এদিকে, নির্বাচন প্রচারে মমতা বারবার বলেছেন, যারা অন্যায় করেছে তাদের নির্বাচনে দাঁড় করাতেন না। এটি একটি রাজনৈতিক message হিসেবে কাজ করছে।
দেবাশিস কুমারের নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকা—রাসবিহারী, মনোহরপুকুর, হিন্দুস্তান পার্ক—কলকাতার অন্যতম অভিজাত অঞ্চল। এখানকার ব্যবসা-বাণিজ্যের scale এবং influence আর্থিক প্রতিবেদনের চোখে পড়ার মতো। তৃণমূলের এই নেতাদের উপর action কেবল রাজ্য নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলবে।
ভয় নেই বললেও মানুষের anxiety উদ্বেগ কমবে না। নির্বাচনের আগে এমন move চাল সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করে।
বিজেপির বিরুদ্ধে ভিকটিম কার্ড খেলা চলছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলোর স্বাধীনতা কতটা নিশ্চিত, সেটাও ভাবতে হবে।
দেবাশিস কুমারের মতো figure ব্যক্তিত্ব এর ওপর তল্লাশি মানে কেন্দ্রের target লক্ষ্য পরিষ্কার। কিন্তু আইনি প্রমাণ কোথায়?
মমতা বারবার বলছেন ভয় নেই। কিন্তু যদি কেউ innocent নির্দোষ হয়, তবে তল্লাশির মতো response প্রতিক্রিয়া কেন?
তৃণমূল কর্মীদের মনে হচ্ছে আক্রমণ হচ্ছে। কিন্তু কেন্দ্রের action পদক্ষেপ যদি আইনসম্মত হয়, তবে তার impact প্রভাব কমানো যায় না।
নির্বাচনের আগে এমন drama নাটক খুব স্বাভাবিক। কিন্তু সাধারণ মানুষের trust আস্থা কমছে রাজনীতির প্রতি।