সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের চোখে আওয়ামী লীগের ‘সবচেয়ে বড় ভুল’
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী the former এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, তার মতে আওয়ামী লীগ সরকারের the biggest ভুল হয়েছে জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততা decline এবং দলের কয়েকজন নেতার involvement চাঁদাবাজিতে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক থেকে সম্প্রচারিত টাইম টেলিভিশনে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন তিনি। এই অভিযোগগুলো শুধু রাজনৈতিক নয়, বরং সাধারণ public জীবনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত, কারণ এগুলো প্রকল্পের দেরি, দুর্নীতি এবং সরকারের প্রতি আস্থা হ্রাসের মতো বিষয়গুলোকে স্পর্শ করে।
মোমেন বলেন, সরকার increasingly সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর dependent হয়ে পড়েছিল, আর তার ফলে নির্বাচিত নেতাদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার opportunity কমে গিয়েছিল। তিনি উদাহরণ দেন: ক্যাবিনেট মিটিংয়ের পর কর্মকর্তারা সহজে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিত না, এবং প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে থাকা এসএসএফ কর্মীরা রাজনীতিবিদদের সামনে এগোতে বাধা দিত। এই distance সৃষ্টির কারণে তাঁদের কণ্ঠ পৌঁছাতে পারছিল না উপরের স্তরে।
অন্যদিকে, তিনি চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিষয়টিকে আরও গুরুতর ভাবে তুলে ধরেন। তাঁর নিজের এলাকা সিলেটে বিমানবন্দর নির্মাণ প্রকল্পে only ১০ শতাংশ কাজ হয়েছে তিন বছরে, যার মূল কারণ বলা হয় corruption । তিনি দাবি করেন, কিছু কর্মকর্তা প্রকল্প দেরি করে অতিরিক্ত টাকা নেয়, যার ৮০ শতাংশ নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয়। তিনি এমনকি সংসদে সতর্ক করেছিলেন যে, যে প্রকল্প সময়মতো শেষ করবে না, তার demotion হবে।
মোমেন আরও বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে ব্যাংকিং খাতের নৈরাজ্য, কালো টাকা সাদা করার মতো বিষয়গুলো তুলে ধরেছিলেন, কিন্তু কোনো কার্যকর response পাননি। তিনি এস আলম-এর মতো ব্যবসায়ীদের সামরিক বাহিনীর সুরক্ষায় লুটপাটের অভিযোগ করেন এবং বলেন, এ ধরনের লোকেরা আওয়ামী লীগের নয়। দুদকের কাছে সব দায় ঠেলে দেওয়া হয়, কিন্তু তারা কার্যকরভাবে কাজ করছে না। তিনি directly বলেন, "প্রধানমন্ত্রীর পিয়নেরই ৪০০ কোটি টাকা"—এ ধরনের কথা বলে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারের গভীরতা তুলে ধরেছেন।
এই সাক্ষাৎকার মাত্র তীক্ষ্ণ মন্তব্য নয়, বরং এক সাবেক মন্ত্রীর গভীর অনুশোচনা ও হতাশার reflection । তিনি নিজেকে 'অপরাধী' বলে স্বীকার করেন, কারণ তাঁরা জনগণের কণ্ঠ উপরের স্তরে পৌঁছাতে দেননি। এটি কেবল আওয়ামী লীগের জন্য নয়, বাংলাদেশের সমগ্র রাজনৈতিক ব্যবস্থার জন্য একটি serious সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করতে পারে।
মাত্র ১০% কাজ হয়েছে? সিলেটের মানুষ কী suffering ভোগান্তি পাচ্ছে, তা কেউ ভাবছে না।
পিয়নের ৪০০ কোটি? এটা কি আর রাজনীতি নাকি হাস্যকর নাটক?
সবচেয়ে বড় ভুল হয়েছে জনগণের সঙ্গে connection যোগাযোগ হারানো। এটা শুধু আওয়ামী লীগ নয়, সব দলের সমস্যা।
দুদক তো আর কিছু করছে না। শুধু praise প্রশংসা করে যাচ্ছে। কাজের কথা কেউ বলছে না।
মন্ত্রীদের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে বাধা? এটা কি আদৌ democracy গণতন্ত্র?
এস আলমের মতো লোকদের সুরক্ষা দিচ্ছে সামরিক বাহিনী? তাহলে civilian বেসামরিক সরকার কোথায়?
যে প্রকল্প সময়মতো শেষ করবে না, তার ডিমোশন হবে—এটা কি হওয়া উচিত না? simple সহজ নিয়ম, কিন্তু কেউ মানে না।