কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা, গোপনীয়তা ও ক্রিপ্টোগ্রাফিতে সৌদি আরব বিশ্বে শীর্ষে
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার security , privacy এবং cryptography খাতে সৌদি আরব এখন বিশ্বের শীর্ষে উঠেছে। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হিউম্যান-সেন্টার্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইনস্টিটিউটের প্রকাশিত ‘এআই ইনডেক্স ২০২৬’ প্রতিবেদনে এই report করা হয়েছে। এআই গবেষণার বিভিন্ন শাখার মধ্যে, সৌদি আরব বিশেষ focus দিয়েছে এই ক্ষেত্রগুলোতে, যা ভবিষ্যতের প্রযুক্তি market নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো, এআই উদ্ভাবন ও গবেষণায় women's participation হারে দেশটি বিশ্বে শীর্ষে, যা ৩২.৩%। এটি অস্ট্রেলিয়া ও কানাডাকে ছাড়িয়ে গেছে, যদিও এখনও বৈশ্বিক পর্যায়ে এআই খাতে লিঙ্গভিত্তিক gap বজায় রয়েছে। সৌদি আরব শুধু নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াচ্ছেই না, বরং তাদের নিয়োগ, প্রশিক্ষণ এবং নেতৃত্বের সুযোগ তৈরি করে একটি inclusive এআই ইকোসিস্টেম গড়ে তুলছে।
এআই উদ্ভাবকদের মধ্যে ১৫% সৌদি আরবে security ও cryptography নিয়ে কাজ করে, যা ভারত (১৩%) ও সংযুক্ত আরব আমিরাত (১২%) থেকে বেশি। এটি দেখায় যে দেশটি কেবল প্রযুক্তি গ্রহণের ক্ষেত্রে এগিয়ে নয়, বরং এর নিরাপত্তা দিকটিকে প্রাধান্য দিচ্ছে। এই ধরনের strategy ভবিষ্যতে এআই ভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে আস্থা বাড়াবে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি সুসংবাদ।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সৌদি আরবে ৮০% এর বেশি কর্মী তাদের কাজে regularly এআই ব্যবহার করেন এবং তাদের এই প্রযুক্তির প্রতি উচ্চ trust রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে এআই ব্যবহারের হার ৮৯%, যা যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের (৬৭%) চেয়ে অনেক বেশি। এটি একটি clear সাংস্কৃতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক shift নির্দেশ করে।
দেশটি তার এআই ইকোসিস্টেম জোরদার করতে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস এবং হিউমেইনের সাথে মিলে ৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ ঘোষণা করেছে, যা একটি AI zone তৈরি করবে। এটি কেবল স্থানীয় প্রতিভাকে সংরক্ষণ করবে না, বরং বৈশ্বিক প্রতিভা আকর্ষণেও সাহায্য করবে। এআই ক্ষেত্রে সৌদি আরবের এই দ্রুত growth , বিশেষ করে ২০১৯ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ১০০% এর বেশি বৃদ্ধি, একটি নতুন ভূ-প্রযুক্তিগত landscape সূচনা হতে পারে।
এত উচ্চ trust আস্থা কিভাবে তৈরি হলো? আমাদের দেশে তো এআই নিয়ে ভয়ই বেশি।
নারী অংশগ্রহণ ৩২.৩% মানে এখনও ৬৭.৭% পুরুষ। এটা ভালো শোনালেও আসলে এখনও দূর পথ যেতে হবে।
নিরাপত্তা ও গোপনীয়তায় নেতৃত্ব মানে তারা ডেটা নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে শক্তিশালী হচ্ছে। এটা ভবিষ্যতে বড় leverage কৌশলগত সুবিধা দেবে।
৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ শুনতে ভালো লাগলেও, এটা কি সত্যিই দীর্ঘমেয়াদি সাশ্রয়ী? খরচ এখানে কম কথা না।
যদি শিক্ষার্থীদের মধ্যে এআই ব্যবহার ৮৯% হয়, তাহলে পরবর্তী দশকে তারা প্রযুক্তি বাজারে নেতৃত্ব দেবেই। এটা কোনো hype হাইপ নয়, বাস্তবতা।
স্ট্যানফোর্ডের প্রতিবেদন বিশ্বস্ত, কিন্তু সৌদি আরবের তথ্য কতটা স্বচ্ছ? স্বচ্ছতা নিয়ে কিছু প্রশ্ন আছে।