বিএনপি সংসদের সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সাক্ষাৎকার শুরু করেছে
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখে গুলশানের বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীদের চূড়ান্ত selection করতে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে interview প্রক্রিয়া। বিকেল পৌনে চারটা থেকে শুরু হওয়া সাক্ষাৎকারে রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও ফরিদপুরের চার শতাধিক আগ্রহী প্রার্থী অংশ নিচ্ছেন। মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এই process পরিচালনা করছেন।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য আরিফা সুলতানা জানান, প্রত্যেক candidate দু-এক মিনিট করে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সময়ের চাপে এখন বোর্ড একসাথে পুরো বিভাগের প্রার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রার্থীদের বলা হয়েছে, "আমরা সবাইকে চিনি। কে কতটা কাজ করেছেন, সেটা আমাদের জানা। যাঁকে পাঠানো হবে, তাঁকে accept হবে।"
বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সাংবাদিকদের বলেন, গত ১৫-১৬ বছরে নারী নেত্রীদের রাজনৈতিক sacrifice এবং নির্যাতন অবশ্যই বিবেচনার আওতায় আসবে। তিনি উল্লেখ করেন, অনেক নেত্রী মামলার মুখে পড়েছেন, violence সহ্য করেছেন, পরিবারের ওপর হামলা হয়েছে। এই বিষয়গুলো ছাড়াও, তিনি বলেন, আইন প্রণয়ন ও সংসদীয় knowledge সম্পর্কিত যোগ্যতা নির্বাচনের গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি হবে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ১২ মে সংরক্ষিত ৫০টি আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত। বিএনপি জোটের ভাগে ৩৬টি, জামায়াত জোটের ১৩টি এবং স্বতন্ত্রদের জন্য একটি আসন নির্ধারিত। এই প্রক্রিয়া বিরোধী দলগুলোর মধ্যে political trust ও সংগঠনের অভ্যন্তরীণ গতিশীলতার ক্ষেত্রে একটি major decision হিসেবে গণ্য হচ্ছে।
এত সাক্ষাৎকার একদিনে? প্রত্যেককে মাত্র দুই মিনিট? এটা selection নির্বাচন নাকি আনুষ্ঠানিকতা মাত্র?
নারী নেত্রীদের ত্যাগ সত্যিই কথা বলে উঠছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কারা পাবেন আসন, সেটা কি শুধু দলের কেন্দ্রীয় decision সিদ্ধান্ত দিয়ে ঠিক হবে?
তারেক রহমান ও মির্জা ফখরুল সরাসরি সাক্ষাৎকার নেওয়াটা দেখাচ্ছে এই process প্রক্রিয়া কতটা গুরুত্বপূর্ণ তাদের কাছে।
বোর্ডের বক্তব্য, 'যাঁকে পাঠানো হবে মেনে নিতে হবে'—এটাতে নিশ্চয়ই কিছু pressure চাপ রয়েছে প্রার্থীদের ওপর।
১৫-১৬ বছরের সংগ্রামের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু এখন কি সেই নারীরা আসন পাবেন? নাকি নতুন মুখ উঠবে? trust আস্থা আছে দলের প্রতি, কিন্তু প্রশ্ন আছে।
সংসদে কথা বলার জন্য জ্ঞান দরকার—একদম ঠিক। কিন্তু নির্বাচন হচ্ছে মনোনয়ন বোর্ডের সামনে, না জনগণের সামনে? public opinion জনমত কোথায় ভূমিকা রাখছে?