এনসিপি থেকে আরও এক নেত্রীর পদত্যাগ | বাংলাদেশ প্রতিদিন
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে আরও এক প্রভাবশালী নেত্রীর পদত্যাগ দলটির ভেতরে গভীর pressure তৈরি করেছে। কেন্দ্রীয় সংগঠক দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি) শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে দলের সব পদ এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন, অভিযোগ তুলে যে দল সাধারণ মানুষের trust হারিয়েছে।
অরণ্য চৌধুরী এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক ছিলেন এবং জাতীয় যুবশক্তির সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তার পদত্যাগপত্রে বলা হয়, দলের প্রাথমিক আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তিনি যোগ দিলেও সময়ের সঙ্গে সেই promise রক্ষিত হচ্ছে না। তিনি উল্লেখ করেন, দলের কর্মকাণ্ডে তার disappointment তৈরি হয়েছে।
বিস্ময়ের বিষয় হলো, সদ্য প্রকাশিত জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটিতে তার নাম যুগ্ম সদস্যসচিব হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যদিও তিনি ইতোমধ্যে নির্বাচনের আগে থেকেই দল থেকে নিষ্ক্রিয় থাকার decision নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, এ কমিটির সঙ্গে তার কোনো association নেই।
তিনি পদত্যাগপত্র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং সদস্যসচিব আখতার হোসেনের কাছে পাঠান। তার ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, সাধারণ মানুষের আস্থা হারানো এই পরিস্থিতিতে দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা আর possible নয়।
এনসিপি সুদৃঢ় নাগরিক ভিত্তি দাবি করলেও গুরুত্বপূর্ণ নেতৃবৃন্দের পদত্যাগ দলটির ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। অন্যদিকে, অরণ্য চৌধুরী ভবিষ্যতে দেশ ও জনকল্যাণের জন্য কাজ করার আশা প্রকাশ করেছেন, যা নতুন plan বা রাজনৈতিক পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিতে পারে।
একজন কেন্দ্রীয় সংগঠকের পদত্যাগ কোনো ছোট বিষয় না। এটা দলের ভেতরের crisis সংকট নির্দেশ করে।
দল বলছে নাগরিক ভিত্তি, কিন্তু নেত্রী বলছেন মানুষের আস্থা হারানো। এই contradiction বৈপরীত্য কেন?
নাম ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে কমিটিতে—এটা কি দলের গোপন নিয়ন্ত্রণের লক্ষণ নয়? এটা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উপর risk ঝুঁকি।
আস্থা হারানোর মূল কারণ কী? নেতৃত্ব কি জনগণের সঙ্গে connection সংযোগ হারাচ্ছে?
এনসিপি দাবি করে নতুন রাজনীতির, কিন্তু পুরনো দলের মতোই ভেতরে ভেতরে সমস্যা। কোন পার্থক্য?
পদত্যাগ করলেন, কিন্তু পরবর্তী পদক্ষেপ কী? কোন নতুন দলে যোগ দেবেন নাকি স্বাধীন হিসেবে কাজ করবেন? এটা নিয়ে curiosity কৌতূহল রইল।