দরপত্র নিয়ে বিএনপি-এনসিপি-জামায়াতের সংঘর্ষ
নারায়ণগঞ্জের সদর উপজেলায় বক্তাবলী ঘাটের the tender নিয়ে সোমবার বিএনপি, এনসিপি ও জামায়াতের মধ্যে clash হয়েছে। এতে at least ছয়জন injured হয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, দরপত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত তারিখ ছিল সোমবার, কিন্তু বিএনপির কর্মীরা সদর উপজেলা কেন্দ্রে অবস্থান করে অন্যান্য দলগুলোর কর্মীদের blocked দেয়।
দুপুরে এনসিপি ও জামায়াতের কর্মীরা যখন দরপত্র জমা দিতে যান, তখন বিএনপি অনুসারীরা তাদের stopped দেয়। এর প্রতিবাদ করার সময় এনসিপি নেতা তাওহিদ এবং জামায়াত নেতা আবু বকরকে physically attacked করা হয়। এই ঘটনা ছড়িয়ে পড়ার পর উভয় দলের activists পারস্পরিক সংঘর্ষে involved পড়ে।
স্থানীয় প্রশাসনের তরফে ইউএনও এস এম ফয়েজ উদ্দিন জানিয়েছেন, পুলিশ এসে উভয় পক্ষকে dispersed করে এবং সুষ্ঠুভাবে দরপত্র গ্রহণের ব্যবস্থা করা হয়। তিনি বলেন, কোনো রাজনৈতিক interference ছাড়াই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।
এই ঘটনা স্থানীয় স্তরে tension তৈরি করেছে এবং রাজনৈতিক rivalry যে সামান্য কারণে হিংসায় পরিণত হতে পারে, তার আরেকটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নাগরিকদের মধ্যে concern ছড়িয়ে পড়েছে যে, সাধারণ প্রক্রিয়াগুলো পর্যন্ত এখন রাজনৈতিক conflict পরিণত হচ্ছে।
দরপত্র নিয়ে এত বড় সংঘর্ষ? public projects জনস্বার্থের কাজ এগোবে কী করে এই হিংসার মধ্যে?
বিএনপি নিজেদের opposition বিরোধী দল বলে, কিন্তু দরপত্রে বাধা দিলে তারা কীভাবে democratic process গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মানে?
আমরা যে tax কর দিই, তার টাকায় ঘাট তৈরি হবে। কিন্তু রাজনীতির কারণে যদি development উন্নয়ন থেমে যায়, তাহলে আমাদের suffer ক্ষতি হবে।
সব দলই বলে জনগণের পক্ষে, কিন্তু কাজে কাজে self-interest স্বার্থ চায়। সাধারণ মানুষ caught আটকা পড়ে।
একটা tender দরপত্র নিয়ে মারামারি? এত pressure চাপ কেন? কার কাছে contract চুক্তি যাবে, তাই নাকি?
পুলিশ এসে ছত্রভঙ্গ করলেও, root cause মূল কারণ তো এখনো আছে। রাজনীতি everyday life দৈনন্দিন জীবনে ঢুকে গেছে।
এনসিপি আর জামায়াত মিলে কাজ করছে? unexpected অপ্রত্যাশিত জোট। কিন্তু বিএনপির সঙ্গে confrontation মুখোমুখি হওয়ায় তারা এক হয়েছে।