ছাত্রদল-যুবদলের তোপে হাসনাত আবদুল্লাহ: চট্টগ্রামে নতুন প্রার্থী নিয়ে রাজনৈতিক চাপ

চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র এম মনজুর আলমের বাড়িতে গিয়ে হঠাৎ pressure নিচে পড়লেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁকে ছাত্রদল-যুবদলের কর্মীদের public trust নিয়ে তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। এ সময় তিনি বেশ বিব্রত ভাব দেখান, যদিও তিনি তাঁর সাংবাদিকদের কাছে কোনো বিষদ ব্যাখ্যা দেননি।

স্থানীয় সূত্র অনুযায়ী, আগামী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনজুর আলমকে new candidate হিসেবে তোলার প্রস্তাব নিয়েই হাসনাত আবদুল্লাহ তাঁর সঙ্গে আলাপ করতে আসেন। মনজুর আলম আগে আওয়ামী লীগের সমর্থনে কাউন্সিলর হয়েছিলেন, পরে বিএনপিতে যোগ দিয়ে ২০১০-২০১৫ পর্যন্ত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর রাজনৈতিক পথ বারবার পাল্টানোর কারণে তিনি আওয়ামী লীগের নিকট আবার কাছাকাছি আসছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। এমন অবস্থায় হাসনাত আবদুল্লাহর আগমন political risk তৈরি করেছে।

যুবদল নেতা শাহেদ আকবর বলেন, তাঁরা হাসনাত আবদুল্লাহকে তাঁর ভারতবিরোধী ও আওয়ামী বিরোধী stance মনে করিয়ে দিয়েছিলেন। তাঁরা জানতে চান, কেন একজন আওয়ামী লীগ সমর্থকের বাড়িতে তিনি এলেন? হাসনাত আবদুল্লাহ কিছুটা ব্যাখ্যা দেন, কিন্তু তাঁদের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হননি। শেষ পর্যন্ত তাঁকে সন্ধ্যার দিকে সসম্মানে মূল রাস্তা পর্যন্ত এগিয়ে দেওয়া হয়।

মনজুর আলমের পরিবার প্রথমে হাসনাত আবদুল্লাহর উপস্থিতি অস্বীকার করেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পর তিনি নিজেই ছাত্রদল-যুবদলের কর্মীদের সামনে আসেন। এই ঘটনায় স্থানীয় রাজনৈতিক বাজারে নানা ধরনের জল্পনা ছড়িয়ে পড়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহর এনসিপি কি আওয়ামী লীগের সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক জোট করতে চায়, নাকি মনজুর আলমের মতো দলত্যাগী নেতাদের কাছ থেকে support আদায় করতে চায়, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

হাসনাত আবদুল্লাহর এই সফরের পেছনে কী পরিকল্পনা আছে, সে বিষয়ে এনসিপি নেতা জোবায়েরুল ইসলাম আরিফ এখনও কোনো মন্তব্য করেননি। তাঁকে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। এই ঘটনা থেকে বোঝা যাচ্ছে, আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের আগে দলগুলো গোপনে অনেক আলোচনা করছে। তবে এমন আলোচনা জনগণের সরাসরি প্রতিক্রিয়াে মুখোমুখি হলে রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিকল্পনা বারবার quickly বদলাতে হয়।

প্রতিক্রিয়া 6

  • কলমযোদ্ধা

    এনসিপি কি আওয়ামী লীগের সাথে আরেকটি অদৃশ্য জোট ঘটাতে চাইছে? হাসনাতের এই move কি শুধু প্রার্থী তোলার জন্য, নাকি বড় কিছুর ইঙ্গিত?

  • নগরবাসী

    মনজুর আলম তিনবার দল পাল্টালেন। এভাবে দল পাল্টানো trust ভাঙে। নির্বাচনে মানুষ কি এমন নেতাকে ভোট দেবে?

  • পলিটিক্স১০১

    যুবদলের প্রতিক্রিয়া দেখে বোঝা যাচ্ছে, স্থানীয় ক্ষমতা কাঠামো চাপে রয়েছে। হাসনাত আবদুল্লাহ বিব্রত হওয়াটাই স্বাভাবিক।

  • স্বাধীনচিন্তা

    আওয়ামী বিরোধী প্রচারে হাসনাত এগিয়ে ছিলেন। এখন আওয়ামী লীগ সমর্থকের বাড়িতে গেলে তাঁর সেই ছবি নষ্ট হবে না?

  • সত্যসন্ধানী

    এনসিপি নেতা ফোন ধরছেন না। এটা কি সত্যিই নীরবতা, নাকি একটি strategy ?

  • চট্টগ্রামী

    স্থানীয় মানুষের কথা কেউ শুনছে না। দলগুলো শুধু তাদের political plan নিয়ে ব্যস্ত।

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]