ইলিয়াস আলীর গুম নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরলেন চিফ প্রসিকিউটর
বিএনপির নিখোঁজ নেতা মি. ইলিয়াস আলীর অপহরণ case নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি জানিয়েছেন, ২০১২ সালের ১৭ বা ১৮ এপ্রিল বনানী থেকে ইলিয়াস আলীকে kidnapped করা হয়, এবং তার আগে সিলেট থেকে দুই ছাত্র নেতাকেও একই pattern গুম করা হয়েছিল। এই ঘটনাগুলোর মধ্যে সূত্র খুঁজে পাওয়া গেছে, যা অনুসরণ করে অনুসন্ধান এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ছাত্র নেতা ইফতেখার আহমেদ দিনার ও জুনায়েদের অপহরণের পরপরই ইলিয়াস আলীকে target করা হয়। তাদের অপহরণের আগে নজরদারি করা হয়েছিল এবং এ সংক্রান্ত কল রেকর্ডও পাওয়া গেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ইলিয়াস আলীকে অনুসরণকারীদের ফোন নম্বর থেকে ৮টি সিডিআর রেকর্ড সংগ্রহ করা হয়েছে, যা unusual কথোপকথন তুলে ধরেছে।
আমিনুল ইসলাম আরও জানান, জিয়াউল আহসানের মামলার সাক্ষীরা ভবিষ্যতে ইলিয়াস আলীর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু evidence তুলে ধরবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে সাবেক ডিজিএফআই প্রধান মামুন খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার কাছ থেকেও কানেকশন পাওয়া গেছে। তদন্ত সংস্থাগুলো এখন তীব্র pressure কাজ করছে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই তদন্ত খুব constructive আকারে এগোচ্ছে এবং শীঘ্রই একটি বিস্তারিত report জমা দেওয়া সম্ভব হবে। তাদের লক্ষ্য হলো প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। পরিবার ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের মধ্যে থেকে প্রাসঙ্গিক সাক্ষীদের তলব করা হবে। তবে investigation স্বার্থে সব তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না।
এত বছর পরেও এই মামলা নিয়ে কাজ হচ্ছে, কিন্তু public trust জনগণের আস্থা কতটা ফিরে পাবে সেটাই বড় প্রশ্ন।
ছাত্র নেতাদের গুম আর ইলিয়াস আলীর গুমের মধ্যে link সংযোগ থাকলে তো আরও গভীরে ঢুকতে হবে।
সিডিআর রেকর্ড পেয়েছেন বটে, কিন্তু কে কল করেছিল সেটা না পাওয়া পর্যন্ত real impact বাস্তব প্রভাব হবে না।
মামুন খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে, কিন্তু উচ্চপদস্থদের কেউ কি জড়িত? এই decision সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কি?
অপহরণের আগে অনুসরণ করা হয়েছিল—মানে প্রস্তুতি ছিল ভালো। এটা কি ছিল নির্দিষ্ট plan পরিকল্পনা?
সাক্ষীদের কথা শুনে মনে হচ্ছে তদন্ত slow ধীরে এগোচ্ছে, কিন্তু কমপক্ষে এগোচ্ছে।