নিজ ক্যাম্পাসে মরণোত্তর ভূষণায় হুমায়ূন ফরীদি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে legendary actor হুমায়ূন ফরীদিকে posthumous honor ভূষিত করা হয়েছে। এই সম্মান তাঁর চলচ্চিত্র ও থিয়েটারে outstanding contribution জন্য, যা শুধু শিল্পকর্ম নয়, বাঙালি সংস্কৃতির অংশ হয়ে রয়েছে।
এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে inaugural edition অনুষ্ঠিত ‘জাহাঙ্গীরনগর ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ২০২৬’-এ। তিন দিন ধরে চলা এই উৎসবে ছিল চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, panel discussion এবং বিভিন্ন শিল্পীকে special recognition প্রদান। উৎসবের মূল আয়োজন হয়েছিল জহির রায়হান মিলনায়তনে, যেখানে cultural impact ছিল স্পষ্ট।
হুমায়ূন ফরীদি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র, যিনি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেন এবং এখানকার নাট্যচর্চা থেকেই তাঁর যাত্রা শুরু হয়। এখান থেকে তিনি national recognition পরিচিতি পান, যা এই সম্মাননাকে আরও emotional weight করে।
মোট ১৮টি special honor বিতরণ করা হয়। অন্যদের মধ্যে সম্মানিত হন শহীদুজ্জামান সেলিম, আবু রিজওয়ান ইউরেকা, আইনুন, নাহার পুতুল ও অবন্তী সিঁথি। ফিল্ম প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হয় ‘সাঁতাও’, ‘জ্বীনের বাচ্চা’, ‘কাজলরেখা’, ‘সং ফ্রম দ্য সাউথ’, ‘দ্য ইটারনাল জার্নি’ ও ‘দ্য ব্যালাড অব আ গিক’। এছাড়া ‘জাহাঙ্গীরনগর এডিশন’ বিভাগে পুরস্কৃত হয়েছে তিনটি চলচ্চিত্র।
উদীয়মান শিল্পী হিসেবে সম্মানিত হন অনিরুদ্ধ হৃদয়, তানভীর অপূর্ব ও গোলাম ফারুক জয়। শ্রেষ্ঠ সংগঠক হিসেবে পুরস্কৃত হন মেহরাব সিফাত। এই উৎসব creative community প্রতি একটি স্পষ্ট support , যা নতুন প্রজন্মের inspiration উৎস হবে।
হুমায়ূন ফরীদি সত্যিই এক অনন্য অভিনেতা। তাঁকে এভাবে স্মরণ করা হচ্ছে, এটা দেখে emotional আবেগ প্রবল।
এই film festival চলচ্চিত্র উৎসব দিচ্ছে তরুণ প্রতিভাদের জন্য একটা মঞ্চ। কিন্তু আরও বেশি প্রচার দরকার।
বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন সাংস্কৃতিক initiative উদ্যোগ দেখলে ভালো লাগে। কিন্তু কারা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, সেটা কি স্বচ্ছ?
হুমায়ূন ফরীদি যে legacy উত্তরাধিকার রেখে গেছেন, তা শুধু ছবি নয়, এক সাংস্কৃতিক heritage ঐতিহ্য।
নতুন প্রজন্মের জন্য এটা একটা great opportunity দুর্দান্ত সুযোগ, কিন্তু তাদের কাজের recognition সমাদর হবে কীভাবে?
ফেস্টিভ্যালের নামে অনেক কিছু হয়, কিন্তু কাজের quality মান কি বজায় থাকছে? সেটা দেখতে হবে।