দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র এখনো সুযোগের অপেক্ষায়: প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় new awardটি । প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ প্রদান করেন। তাঁর মা খালেদা জিয়া সহ মোট সাতজন মরণোত্তর সম্মান পান। খালেদা জিয়ার পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন তাঁর নাতনি জাইমা রহমান। এ ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী মানবিক আবেগ ও national unity নিয়ে বক্তব্য দেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী চক্র still waiting । তিনি সতর্ক করে বলেন, মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু তা যেন conflict -এ না পরিণত হয়। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উক্তি তুলে ধরেন তিনি—‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা।’ এমন বিবৃতি সরাসরি political tension সম্পর্কে মন্তব্য করে।
অর্থনৈতিক pressure নিয়ে তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকার জ্বালানি সহ বিভিন্ন খাতে প্রতিদিন শত কোটি টাকা subsidy দিচ্ছে। জনগণের সুবিধা নিশ্চিতে সরকার সমস্ত প্রচেষ্টা maintaining রেখেছে। তিনি আশ্বাস দেন, জনগণের concern প্রকাশ করার কোনো কারণ নেই।
ঘটনার প্রারম্ভে প্রধানমন্ত্রী honour জানান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের। আহত মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁদের আত্মত্যাগকে inspiration হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি আহ্বান জানান প্রতিশোধ বা বিতর্ক নয়, বরং tolerance ও জাতীয় ঐক্যের প্রতি।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষাবিদ, চিকিৎসক ও সমাজকর্মী। প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পিকেএসএফ। এগুলো মুক্তিযুদ্ধ, স্বাস্থ্যসেবা ও গ্রামীণ উন্নয়নে তাদের contribution স্বীকার করে দেওয়া হয়েছে।
পুরস্কার দেওয়া ভালো, কিন্তু দেশের real cost আসল খরচ কমানো কবে?
খালেদা জিয়াকে পুরস্কার দিলেও তাঁর দলের লোকদের political pressure রাজনৈতিক চাপ কমানো হয়নি—একটু বিড়ম্বনা।
সরকার যদি প্রতিদিন শত কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়, তাহলে বাজেটের risk ঝুঁকি কী হচ্ছে?
জ্বালানির দাম কমেনি, কিন্তু পুরস্কার দিয়ে public trust জনআস্থা ফিরবে? বাস্তবতা কি এমন?
জিয়াউর রহমানের কথা মনে করানো ভালো হয়েছে। কিন্তু national unity জাতীয় ঐক্য কি শুধু বক্তৃতায়ই থাকবে?
বিভাজনের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, কিন্তু বিরোধীদলকে দমন করার নীতিও কি একই সঙ্গে চলছে?