বেলিংহ্যামের ফুটবল ছাড়িয়ে ক্রিকেটে ফিরতি পথ
ফুটবলের মাঠ ছাড়িয়ে এবার ক্রিকেটে নিজের ছাপ ফেলতে এলেন জুড বেলিংহ্যাম। রিয়াল মাদ্রিদের এই midfielder বারমিংহ্যাম ফিনিক্সের অংশীদার হয়েছেন, যা দ্য হান্ড্রেড-এ খেলে। তাঁর কেনা শেয়ারের পরিমাণ মাত্র ১.২ শতাংশ, কিন্তু এই সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে গভীর আবেগ। বেলিংহ্যাম বলেছেন, ‘আমার মনে হয় এই শহরের কাছে আমার কিছু ঋণ আছে’—একটি কথা যেন emotion -এর চেয়েও বড় দায়বদ্ধতা প্রকাশ করে। এই শহর, যেখানে তাঁর খেলোয়াড়ি জীবন শুরু, সেখানে ফিরে আসা মানে কেবল ক্রীড়া নয়, identity রক্ষাও বটে। এবং তাই তিনি invest করেছেন, না শুধু অর্থে, কিন্তু আত্মায়।
বারমিংহ্যাম ফিনিক্সের মালিকানা জটিল, কিন্তু সুসংগঠিত। ওয়ারউইকশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের হাতে রয়েছে ৫০.৪ শতাংশ শেয়ার, আর নাইটহেড ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট—যাদের মালিক এনএফএল কিংবদন্তি টম ব্র্যাডি—তাদের রয়েছে ৪৮.৪ শতাংশ। বেলিংহ্যাম প্রতিটি পক্ষের কাছ থেকে ০.৬ শতাংশ করে কেনা হয়েছে। এই partnership শুধু আর্থিক লেনদেন নয়, এটি একটি বার্তা: খেলোয়াড়রা এখন শুধু মাঠেই নয়, বোর্ডরুমেও উপস্থিত। এটি এক ধরনের উত্তরাধিকার গড়ার প্রচেষ্টা, যেখানে এক ক্রীড়াবিদ চাইছেন নতুন প্রজন্মের জন্য opportunity তৈরি করতে।
বেলিংহ্যামের সঙ্গে ক্রিকেটের সম্পর্ক নতুন নয়। তিনি ওরচেস্টারশায়ারের হ্যাগলি ক্রিকেট ক্লাবে জুনিয়র ক্রিকেট খেলেছেন। তাঁর কণ্ঠে এখনও শোনা যায় সেই মাঠের ধূলো-মাখা বালকের উচ্ছ্বাস: ‘আমি বার্মিংহামকে ভালোবাসি’। এই ভালোবাসা কেবল শহরের জন্য নয়, খেলার জন্যও। তিনি স্পষ্ট করেছেন, ‘আমি ক্রিকেটও ভালোবাসি, তাই যখন এর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পেলাম, আমি দ্বিতীয়বার ভাবিনি’। এটি শুধু একটি আবেগ নয়, এটি এক ধরনের commitment , যা তাঁর প্রতিটি সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়। ফুটবল নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও তিনি জানাচ্ছেন, তিনি সাহায্য করতে চান।
দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্ট, যেখানে প্রতি ইনিংস ১০০ বলের, তা আগামী ২১ জুলাই থেকে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এটি ক্রিকেটের আধুনিক format , যা তরুণদের আকৃষ্ট করতে বানানো। বেলিংহ্যামের এই পদক্ষেপ হয়তো সেই ধারাকেই ত্বরান্বিত করবে। তিনি চান শুধু ফুটবল নয়, অন্যান্য খেলাও যেন শিশুদের কাছে উপলব্ধ হয়। তাঁর কথায়, ‘কিছু বাচ্চার সেই সুযোগ থাকে না’—একটি কথা যা নির্মম বাস্তবতা তুলে ধরে। তাই তাঁর এই involvement হয়তো একটি বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গি-র অংশ, যেখানে ক্রীড়া শুধু মাঠের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি সমাজের অংশ।
এই নতুন ভূমিকায় বেলিংহ্যাম কেবল একজন খেলোয়াড় নন, তিনি এখন ambassador । তাঁর প্রভাব শুধু মাঠের ভিতরে নয়, তাঁর নাম এখন একটি brand । কিন্তু সেই ব্র্যান্ডের লক্ষ্য মুনাফা নয়, লক্ষ্য প্রেরণা। তিনি চান বাচ্চারা জানুক যে খেলাধুলা কেবল পেশা নয়, এটি জীবনযাপনের একটি উপায়। তাঁর কথা অনুযায়ী, ‘আমি ভাগ্যবান’—কিন্তু সেই ভাগ্যকে তিনি ভাগ করতে চান। এটি কেবল একটি career নয়, এটি একটি অভিযান।
একজন ফুটবলারের ক্রিকেটে যুক্ত হওয়া দেখে ভালো লাগছে। এটা দেখায় যে খেলার ভাষা সবসময় সর্বজনীন।
বারমিংহ্যাম ফিনিক্সের মালিকানা নিয়ে অনেক জটিলতা আছে। কিন্তু বেলিংহ্যামের ছোট্ট শেয়ারটাই হয়তো সবচেয়ে বড় বার্তা দিল।
১.২ শতাংশ শেয়ার? এটা তো খুব কম। কিন্তু আবেগ যে শুধু শতাংশে মাপা যায় না, সেটা বেলিংহ্যাম ভালো করেই বোঝেন। emotion আবেগ মানেই কখনও কখনও ছোট পদক্ষেপ।
আমি চাই আমাদের দেশের তারকারাও এমন কিছু করুক। শুধু টাকা নয়, inspire অনুপ্রেরণা দেওয়া দরকার প্রতিটি বাচ্চাকে।
বেলিংহ্যাম বলেছেন ক্রিকেট ভালোবাসেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, সত্যিই কি তিনি খেলবেন? নাকি শুধু নাম ব্যবহার?
যে বাচ্চারা ক্রিকেট খেলতে পারে না, তাদের জন্য এটা সত্যিই একটা বড় কথা। আমি আশা করি এটা শুধু ঘোষণা না হয়ে action কাজে পরিণত হবে।