মেসির বিরুদ্ধে চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ, শুরু হলো বড় আইনি লড়াই
বিশ্বকাপের আগে মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে, আর্জেন্টিনার অধিনায়ক লিওনেল মেসির বিরুদ্ধে contract breach ও প্রতারণার অভিযোগ তুলে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে একটি মার্কিন প্রতিষ্ঠান। মায়ামির ভিআইডি মিউজিক গ্রুপ গত মাসে মায়ামি-ডেড সার্কিট কোর্টে মেসি এবং আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে।
আদালতের নথি অনুসারে, প্রতিষ্ঠানটি exclusive rights পেতে ভেনিজুয়েলা এবং পোর্তো রিকার বিরুদ্ধে আর্জেন্টিনার প্রীতি ম্যাচ আয়োজন ও প্রচারের জন্য প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল। চুক্তি অনুযায়ী, মেসি যদি চোট না পান, তবে প্রতিটি ম্যাচে at least ৩০ মিনিট মাঠে খেলতে হবে।
১০ অক্টোবর ভেনিজুয়েলার বিরুদ্ধে ম্যাচে মেসি মাঠে নামেননি। তিনি স্টেডিয়ামের একটি স্যুটে বসে খেলা উপভোগ করেন। এই ঘটনা নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক, কারণ পরদিনই তিনি তার ক্লাব ইন্টার মায়ামির হয়ে মাঠে নেমে দু'টি গোল করেন। তাঁর অনুপস্থিতি আয়োজকদের মধ্যে financial risk বাড়িয়ে তোলে।
১৪ অক্টোবর পোর্তো রিকার বিপক্ষে ম্যাচে মেসি খেললেও, খেলা শুরুতে যে শহরে আয়োজনের কথা ছিল, তা ফ্লোরিডায় সরিয়ে আনা হয় টিকিট বিক্রি কম হওয়ার মতো reasons । এতে আয়োজকদের loss আরও বেড়ে যায় বলে দাবি করা হয়।
ভিআইডি মিউজিক গ্রুপের মতে, এক ম্যাচে মেসির অনুপস্থিতি এবং অন্য ম্যাচে কম দর্শক তাদের বড় financial impact এনে দিয়েছে। যদিও মামলায় কত টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়েছে, তা উল্লেখ করা হয়নি। এখনও মেসি বা আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা কোনো official response জানায়নি।
মেসি যদি সত্যিই চোট পাননি, তবে আয়োজকদের প্রতি এটা খুব unfair অন্যায় হয়েছে।
তিনি নিজের ক্লাবের ম্যাচে গোল করতে পেরেছেন, কিন্তু আন্তর্জাতিক ম্যাচে নামেননি? এটা নিয়ে অবশ্যই public trust জনআস্থায় প্রশ্ন উঠবে।
যদি চুক্তিতে ক্লিয়ার শর্ত থাকে, তবে আইনি claim দাবি ঠিকই আছে। কিন্তু ক্ষতির পরিমাণ কত, সেটা স্পষ্ট না থাকলে মামলা weak দুর্বল হবে।
মেসি এত বড় তারকা, তাঁকে বারবার মাঠে নামানো হবে না। এটা তাঁর পক্ষেও একটা pressure চাপ।
আমাদের দেশে এমন ম্যাচ হলে টিকিট কোনোদিন sell out ফুরিয়ে যায়। এখানে আয়োজন হচ্ছে কীসের উপর ভিত্তি করে?
আন্তর্জাতিক ম্যাচে ক্লাব ফুটবলের প্রাধান্য পাচ্ছে, এটা নিয়ে debate বিতর্ক বাড়ছে।