মিরপুরের পিচ নিয়ে যে তথ্য দিলেন বাংলাদেশ কোচ
আগামী ১৭ এপ্রিল মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ শুরু হবে সকাল ১১টায়। ম্যাচটি আগে day-night হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সরকারের নির্দেশে সম্পূর্ণ সিরিজ সকালে সরিয়ে আনা হয়েছে। এই পরিবর্তনে পিচের আচরণ কেমন হবে, তা নিয়ে ফের উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। মিরপুরের উইকেট বরাবরই mysterious হিসেবে পরিচিত, যা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের পারফরম্যান্স তৈরি করে।
বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স আজ (১৫ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সকালে খেলা হওয়ায় পিচের স্বভাবে কিছুটা change আসবে। তিনি বলেন, ‘দিনের আলোয় খেলা হলে উইকেট কিছুটা slower হতে পারে। বলটি মাটিতে একটু grip করতে পারে। আমরা সে অনুযায়ী আমাদের প্রস্তুতি চালাচ্ছি।’
সিমন্সের পাশাপাশি জাতীয় নির্বাচক হাসিবুল হোসেন শান্তও পিচ নিয়ে তাঁর view দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পিচটি সম্ভবত স্লো হবে, কিন্তু নির্বাচক কমিটি ও কোচিং স্টাফ চাইছেন যেন রানও করা যায়।’ শান্ত আরও জানান, ‘সব দেশই ঘরের মাঠে home advantage নেয়। বাংলাদেশও সেটি কাজে লাগাতে চাইবে।’
খেলার সময় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সামাজিক কারণে। এর আগে দিবারাত্রি ম্যাচগুলোতে দর্শক কম আসত, এবং রাতে খেলা নাগরিক জীবনে pressure তৈরি করত। এখন সকালে খেলার ফলে দর্শক support বাড়তে পারে, যা বাংলাদেশ দলের জন্য একটি বড় advantage ।
গতবার মিরপুরে বিদেশি দল খেলতে এসে পিচের ধীরগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। এবার সকালে খেলার কারণে আরও শুষ্ক পরিবেশ হতে পারে, যা আবার পিচের behavior বদলাতে পারে। বাংলাদেশ দল এবং কোচিং স্টাফ তাদের অনুশীলনগুলোও সকালে করছেন, যাতে খেলোয়াড়রা adapt মানিয়ে নিতে পারে।
সকালে খেললে পিচ শুকনো হবে, বল grip গ্রিপ করবে বেশি। বাংলাদেশের স্পিনারদের জন্য এটা big advantage বড় সুবিধা।
আগের বার নিউজিল্যান্ড অভিযোগ করেছিল পিচ স্লো হওয়ায়। এবার সকালে খেলায় আরও mysterious রহস্যময় হবে নাকি?
দর্শক সমর্থন বাড়বে সকালে খেললে, সেটা মানসিক ভাবে pressure চাপ তৈরি করবে বিপক্ষের ওপর।
হোম অ্যাডভান্টেজ নেওয়া সব দলেরই স্বাভাবিক। কিন্তু পিচ যেন খেলোয়াড়দের performance পারফরম্যান্স না বাধা দেয়।
দিনে খেললে বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণ আরও কার্যকর হবে। কিন্তু নিউজিল্যান্ড কি সেই risk ঝুঁকি মাথায় রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছে?
সকাল ১১টায় খেলা শুরু মানে পুরো দিনের আলো পাওয়া যাবে। মাঠে light আলো ভালো হওয়া মানে আম্পায়ারিংয়ে সুবিধা।