রাম মন্দিরের গেট থেকে মতুয়া ভাইকে কুকুরের মতো তাড়িয়েছে বিজেপি: রাণীবাঁধ থেকে বিস্ফোরক অভিষেক
বাঁকুড়ার রানীবাঁধে একটি জনসভা থেকে explosive অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, অযোধ্যায় temple উদ্বোধনের সময় মতুয়া সম্প্রদায়ের একজন ভাইকে like গেট থেকে তাড়ানো হয়েছিল। এই ঘটনাটি তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র criticism হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছেন, দাবি করেছেন যে দলটি আদিবাসী ও তপশিলি সম্প্রদায়ের প্রতি আসলে কোনও respect দেখায় না।
অভিষেক জানিয়েছেন, মতুয়ারা রানাঘাট-বনগাঁ থেকে কাঁধে করে পবিত্র জল নিয়ে গিয়েছিলেন, কিন্তু মন্দিরের gate তাঁদের উপযুক্ত সম্মান দেখানো হয়নি। তিনি demand করেছেন বিজেপি সরকার কেন এই সম্প্রদায়ের কোনও প্রতিনিধিকে অনুষ্ঠানে invite জানায়নি। এটি তাঁর মতে বিজেপির 'মুখোশ' খোলার প্রমাণ—যে দলটি 'আদিবাসী দরদী' বলে দাবি করলেও আসলে তাদের প্রতি আচরণ অবমাননাকর।
এছাড়াও, অভিষেক বলেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ৮ হাজার গরিব পরিবারকে housing টাকা দিয়েছে, যার কোনও contribution কেন্দ্রের সরকারের নেই। তিনি বিজেপির প্রতিশ্রুতিগুলিকে false বলে উল্লেখ করেছেন, বিশেষ করে ২ কোটি চাকরি ও ১৫ লাখ টাকা দেওয়ার প্রসঙ্গে। তৃণমূলের প্রতিশ্রুতির বিপরীতে, তিনি বলেছেন, তাঁদের guarantee হলো 'লাইফটাইম ওয়ারেন্টি', যেখানে বিজেপির মোদীর গ্যারান্টি হলো 'জিরো ওয়ারেন্টি'।
অভিষেক আরও দাবি করেছেন যে বিজেপি শুধু ধর্ম ও সম্প্রদায় নিয়ে রাজনীতি করে, আদিবাসী ও কুর্মি সমাজের মধ্যে division সৃষ্টি করে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে রাজ্য সরকার কুরমালি ভাষাকে অষ্টম তফশিলে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য কেন্দ্রে formal চিঠি দিয়েছিল, কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার এ পর্যন্ত তাতে কোনও response জানায়নি।
সভায় তিনি জনসংখ্যা, প্রকল্প ও সুরক্ষা পরিস্থিতি নিয়েও উদাহরণ দিয়েছেন। বলরামপুরের মতো এলাকায় আগে পুলিশ থানায় লুকোতে হতো পুলিশকর্মীদের, আজ সেখানে ২৪ ঘন্টা police station খোলা। তিনি জানিয়েছেন, রানীবাঁধ বিধানসভায় ৮০ হাজার মহিলা welfare প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন। এছাড়া, খাতরায় মিউনিসিপ্যালিটি ঘোষণার পাশাপাশি মৎস্যজীবী ও কৃষকদের জন্য cold storage তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
অভিষেক আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (UCC)-এর প্রভাব নিয়েও সতর্ক করেছেন। তাঁর মতে, UCC কার্যকর হলে আদিবাসীদের বিয়ে, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বিপন্ন হবে। তিনি বলেছেন, বিজেপি যাদের মাঝে ভাঙন তৈরি করছে, তাদের সংস্কৃতি রক্ষা করার দায় নেই। ভোটের আগে এসব issue জনমনে প্রতিধ্বনি তুলবে বলে মনে করা হচ্ছে।
মতুয়াদের বিষয়টা খুব sensitive সংবেদনশীল, এটাকে এভাবে তুলে ধরা ঠিক হয়েছে।
বিজেপি যদি আদিবাসী দরদী হত, তবে রাম মন্দিরের উদ্বোধনে কেন তাঁদের কাউকে স্থান দেওয়া হল না? এটা তো খুব obvious স্পষ্ট।
লাইফটাইম ওয়ারেন্টি আর জিরো ওয়ারেন্টি—comparison তুলনাটা দারুণ হয়েছে। ভোটকালে এমন কথা মানুষের মনে থাকে।
তৃণমূল সরকার যদি কুরমালি ভাষার জন্য চিঠি দিয়ে থাকে, তবে কেন্দ্র কেন এগোচ্ছে না? এটা নিয়ে public pressure জন চাপ তৈরি হওয়া উচিত।
UCC নিয়ে সতর্কতা ঠিক আছে, কিন্তু এটাকে কি শুধু ভোটের tool হাতিয়ার বানানো হচ্ছে?
হিমঘর দরকার, কিন্তু সেটা তৈরি হবে কখন? ঘোষণা ভালো, কিন্তু implementation বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ।
কুকুরের মতো তাড়ানো—ছবিটা খুব মারাত্মক। এটা মানুষের মনে লাগবে।