লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে তীব্র সংঘাত: ‘গণতন্ত্র ছিনতাই’-এর অভিযোগে সরব কংগ্রেস-সপা
লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে তীব্র সংঘাত চলছে: ‘democracyটি ছিনতাই’ হচ্ছে বলে দাবি করেছেন কংগ্রেস ও সমাজবাদী পার্টি। বৃহস্পতিবার সংসদে তিনটি ঐতিহাসিক বিল পেশ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে নারীদের জন্য ৩৩% আসন সংরক্ষণ, লোকসভার আসন বৃদ্ধি এবং সীমানা পুনর্নির্ধারণ। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এটি একটি new step যা মহিলাদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াবে।
কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল ‘সংবিধান (১৩১তম সংশোধনী) বিল’ ও ‘সীমানা নির্ধারণ বিল’ উত্থাপন করেন। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পেশ করেন ‘কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন (সংশোধনী বিল)’। লক্ষ্য হলো ২০২৯ সালের মধ্যে লোকসভার আসন number ৫৪৩ থেকে বেড়ে ৮৫০-এ পৌঁছানো। এর মধ্যে ২৭২টি আসন হবে মহিলাদের জন্য reserved । সরকারের দাবি, কোনো রাজ্যের আসন কমবে না, বরং প্রতিনিধিত্ব বাড়বে।
কিন্তু বিরোধী দলগুলি এই move রাজনৈতিক কারসাজি বলছে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছেন, ২০১১-এর আদমশুমারি তথ্য ব্যবহার করে জনগণকে misled হচ্ছে। তিনি বলেন, মহিলা সংরক্ষণের নামে আসলে সীমানা পুনর্নির্ধারণের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলের attempt করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, এআইএমআইএম নেতা আসাদউদ্দিন ওয়াইসি দাবি করেছেন, এই ব্যবস্থায় হিন্দি বলয়ের influence বাড়বে এবং দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্যগুলি বৈষম্যের শিকার হবে। সমাজবাদী পার্টি আবার দাবি করেছে, OBC ও মুসলিম মহিলাদের জন্য আলাদা quota না থাকলে তারা বিলের বিরোধিতা করবে। বিরোধীদের একযোগে বিরোধিতার ফলে রাজনৈতিক tension তুঙ্গে।
শুক্রবার বিকেল ৪টে এই বিলগুলির উপর vote হবে। সংসদে এই বিলগুলির আলোচনার জন্য ১৮ ঘণ্টা সময় বরাদ্দ করা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি, এটি দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার পর একটি historic update , কিন্তু বিরোধীদের মতে, এটি গণতন্ত্রের মূলনীতির বিরুদ্ধে একটি threat । ভারতের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য এই মুহূর্তটি চরম গুরুত্বপূর্ণ।
২০২৯ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে? এত দেরি কেন? delay বিলম্বটা নিজেই তো একটা রাজনৈতিক strategy কৌশল।
সংরক্ষণের নামে ক্ষমতা ভাগাভাগি। আসল ইস্যু representation প্রতিনিধিত্ব নয়, আসন distribution বণ্টন।
৮৫০টি আসন! মন্ত্রীসভা আরও বড় হবে, cost খরচ বাড়বে। কে দেবে টাকা?
মহিলা সংরক্ষণ ভালো, কিন্তু OBC মহিলাদের কথা ভাবা হচ্ছে? না হলে justice ন্যায়বিচার অসম্পূর্ণ থাকবে।
২০১১-এর তথ্য? আজকের জনসংখ্যার চেহারা আর কি সেটা? old data পুরনো তথ্য দিয়ে সীমানা ঠিক করা যায় না।
‘গণতন্ত্র ছিনতাই’ মানে কী? বিলটা পাস হলে public trust জনআস্থা ভেঙে যাবে?