বুলবুলের উচ্চপদে বাধা: ক্রিকেট রাজনীতির নতুন অধ্যায়
বাংলাদেশের ক্রিকেটের এক জীবন্ত কিংবদন্তি new করে খবরে। আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ক্রিকেট জীবন মাঠের বাইরেও এখন pressure তৈরি করছে। অভিষেক টেস্টে সেঞ্চুরি থেকে শুরু করে ১৯৯৯ বিশ্বকাপে দলের নেতৃত্ব—তাঁর অর্জন সবার মনে গেঁথে আছে। কিন্তু প্রশাসনিক দুনিয়ায় তাঁর পথ এখন কঠিন, যেখানে decision গুলো খেলার চেয়ে বেশি রাজনীতির ওপর নির্ভর করে।
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্তির পর বুলবুলের ভাগ্য নতুন করে কাঁপল। মাত্র ১০ মাস সভাপতি হওয়ার পর তাঁকে সরে দাঁড়াতে হলো। এ নিয়ে ক্রিকেট মহলে public trust নাড়া দিয়েছে। কিন্তু তার চেয়েও বড় ধাক্কা এলো আন্তর্জাতিক মঞ্চ থেকে। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলে (এসিসি) একটি উচ্চপদে তাঁর মনোনয়ন ছিল, যা এখন risk ।
আমিনুল নিজেই জানিয়েছেন, দুটি প্রভাবশালী দেশ তাঁর মনোনয়নে veto দিয়েছে। তিনি বলেন, "একটা বড় চাকরির সুযোগ এসেছিল এসিসিতে। কিন্তু দুটো বড় বড় দেশ সেখানে ভেটো দিয়েছে। সেটা আর হয়তো হবে না।" এই ঘটনা কেবল তাঁর ক্যারিয়ারের জন্যই নয়, বরং বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্যও একটি impact ফেলবে।
অস্ট্রেলিয়ায় থাকা সত্ত্বেও গত মে মাসে দেশের জন্য দায়িত্ব নেওয়া বুলবুল বিসিবিতে অনেক change আশা এনেছিলেন। কিন্তু অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক রাজনীতির জালে পড়ে তাঁর পরিকল্পনা ভেস্তে গেল। এখন প্রশ্ন উঠছে, কেন এই দেশ দুটি তাঁকে বাধা দিল? কি support নেই নাকি কোনো রাজনৈতিক হিসাবনিকাশ?
বুলবুল শুধু একজন ক্রিকেটার নন, তিনি বাংলাদেশের ক্রিকেটের ইতিহাসের অংশ। তাঁর বিরুদ্ধে এমন পদক্ষেপ ক্রিকেটাঙ্গনে নতুন করে concern তৈরি করেছে। এটা কি ন্যায্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার অংশ, নাকি ক্রীড়াকে ছাড়িয়ে যাওয়া রাজনীতির হাতছাড়া? এই প্রশ্নগুলো এখন মাঠের চেয়ে বেশি ঘুরছে করিডোরে।
১০ মাসে সভাপতি হয়ে কি করেছেন সেটা নিয়ে কথা হোক, কিন্তু আন্তর্জাতিক level স্তরে তাঁকে বাধা দেওয়া ঠিক না।
এসিসিতে ভেটো? কোন দেশ দুটো জানি না, কিন্তু এটা স্পষ্ট যে বুলবুল threat হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছেন কারো কাছে।
বিসিবি থেকে সরানো এক কথা, কিন্তু আন্তর্জাতিক পদে বাধা? এটা তো খেলার বাইরের politics রাজনীতি।
গত যুগের ক্রিকেটারদের প্রতি সম্মান কমছে। এটা শুধু বুলবুলের জন্য নয়, পুরো ক্রিকেট community সম্প্রদায়ের জন্য দুঃখজনক।
ভেটো করলে কী হয়, সেটা আগে থেকেই বোঝা উচিত। কিন্তু এভাবে কাউকে বাধা দেওয়া খেলার মর্যাদাকে নষ্ট করে।
আমিনুল হয়তো ভালো প্রশাসক হবেন না, কিন্তু তাঁর অভিজ্ঞতা value মূল্যবান। সেটা এত সহজে উপেক্ষা করা যায় না।