অম্বানীকে ছাড়িয়ে এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তি আদানি! বিশ্বের সেরা ৫০০ বড়লোকের তালিকায় কোথায় মিত্তল, জিন্দল, নাদারেরা?
new ranking অনুযায়ী, গৌতম আদানি মুকেশ অম্বানীকে ছাড়িয়ে এখন এশিয়ার ধনীতম ব্যক্তি। ব্লুমবার্গ বিলিয়োনেয়ার সূচক অনুযায়ী, আদানির মোট সম্পদ ৯২৬০ কোটি ডলার, যা ভারতীয় টাকায় প্রায় ৮.৬১ লক্ষ কোটি। এদিকে, অম্বানীর সম্পদ বর্তমানে ৯০৮০ কোটি ডলার। এই shift শুধু ভারতের নয়, গোটা এশিয়ার market impact গভীর প্রভাব ফেলছে।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি হিসেবে এগিয়ে রয়েছেন ইলন মাস্ক, যাঁর সম্পদ ৬৫,৬০০ কোটি ডলার। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন গুগল প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ। কিন্তু ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ভূ-রাজনৈতিক tension এবং অর্থনৈতিক volatility , যা শীর্ষ ধনীদের সম্পদেও প্রভাব ফেলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বছরের শুরু থেকে বিশ্বের ২০ সেরা ধনীদের মধ্যে সাতজনের সম্পদ কমেছে। এলভিএমএইচ-এর বার্নার্ড আর্নল্ট হারিয়েছেন ৪,৪০০ কোটি ডলার। আর মুকেশ অম্বানীও শীর্ষ ধনীদের তালিকা থেকে পিছনে পড়ায় বাজারে বেশ concern তৈরি হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের confidence ঝুঁকির মুখে।
ভারতের অন্যান্য ধনীদের মধ্যে, লক্ষ্মী মিত্তল রয়েছেন ৬২তম স্থানে (৩৬৯০ কোটি ডলার), শিব নাদার ৭০তমে (৩৩৫০ কোটি), শাপুর মিস্ত্রি ও পরিবার ৭১তমে (৩৩২০ কোটি) এবং সাবিত্রী জিন্দল ৭৩তমে (৩২৭০ কোটি ডলার)। এই সব figures ভারতীয় অর্থনীতির মূল support হিসেবে কাজ করছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, একটি একক ব্যবসায়িক decision বা বিশ্বের কোনও ঘটনা কোনও ব্যক্তির সম্পদে বিশাল effect ফেলতে পারে। আদানি আর অম্বানীর মতো ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে এটা আরও স্পষ্ট। এই ধরনের change বাজারের গতি, বিনিয়োগকারীদের ভবিষ্যদ্বাণী এবং আন্তর্জাতিক trade flow প্রতিফলিত হয়।
আদানির এই rise উত্থান ভারতের গ্রীন এনার্জি খাতের উপর বিনিয়োগের চাপ বাড়াবে বলে মনে হচ্ছে।
অম্বানী পিছনে পড়ায় রিলায়েন্সের stock price শেয়ারের মূল্য কী হবে? বিনিয়োগকারীদের জন্য এটা বড় প্রশ্ন।
মাস্কের সম্পদের তুলনায় আদানি আর অম্বানী এখনও অনেক পিছনে। আমরা কি একটা বৈশ্বিক gap ব্যবধান দেখছি?
সাবিত্রী জিন্দল এই তালিকায় উঠে এসেছেন, যা মহিলা উদ্যোক্তাদের জন্য অনুপ্রেরণার signal ইঙ্গিত।
ভূ-রাজনৈতিক conflict সংঘাত যে কীভাবে সরাসরি সম্পদের হিসাব বদলাচ্ছে, তা আজকের এই খবরে পরিষ্কার।
বিশ্বের সবচেয়ে ধনীদের তালিকা কখনই স্থিতিশীল নয়। আজ কেউ leader নেতা, কাল তিনি পিছনে। বাজারই সবচেয়ে বড় বিচারক।