‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ হিসেবে অনুমতি ছাড়া ভিডিও প্রচার করলে সাইবার আইনে দ্রুত বিচার: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী
‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ হিসেবে পরিচয় দিয়ে কারও অনুমতি ছাড়া মোবাইল বা ক্যামেরায় ভিডিও তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় the content প্রচার করলে এখন থেকে কঠোর আইনি ব্যবস্থা হবে। ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, এ ধরনের ঘটনায় the investigation ৯০ দিনের মধ্যে শেষ করে দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হবে।
মন্ত্রী বলেছেন, সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬ এর ধারা ২৫(১) অনুযায়ী ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ডিজিটাল মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে ব্ল্যাকমেইল, যৌন হয়রানি, রিভেঞ্জ পর্ন বা সেক্সটরশনের উদ্দেশ্যে কোনো material প্রচার করা আইনত অপরাধ। এর মধ্যে ভিডিও, চিত্র বা তথ্য প্রকাশের হুমকিও অন্তর্ভুক্ত।
এ ধরনের অপরাধের জন্য ধারা ২৫(২) অনুযায়ী সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া হবে। তবে যদি the victim নারী বা ১৮ বছরের কম বয়সী হয়, তাহলে ধারা ২৫(৩) অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে।
আর্থিক চাঁদা দাবি করা হলে তা ধারা ২২-এর আওতায় পড়বে, যেখানে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা হতে পারে। মন্ত্রী বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ইতিমধ্যে legal measures গ্রহণ করেছে। এটি ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য একটি significant step হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এখন অনেকেই নিজেকে ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ ভাবে, কিন্তু এই abuse অপব্যবহার বন্ধ হওয়া খুব জরুরি।
৯০ দিনে তদন্ত শেষ—এটা ভালো কথা, কিন্তু বাস্তবে কতটা enforcement প্রয়োগ হবে সেটা দেখার।
বিশেষ করে মেয়েদের বিরুদ্ধে এমন ঘটনা বাড়ছে, এবং ভুক্তভোগীকে the victim ভুক্তভোগী হিসেবে দেখা হয় না। আইনটা আশা করি পাল্টাবে।
অনেক সময় প্রেমের সম্পর্ক ভাঙার পর এমন ভিডিও ছড়ায়—এখন থেকে তারা ভাববে দু-বার। রিভেঞ্জ পর্ন কোনো মজা না।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটু ভাইরাল হতে চাওয়ার জন্য কত মানুষ এমন কাজ করে! আইন চাই, কিন্তু public awareness জনসচেতনতা ও প্রয়োজন।
আইন ভালো, কিন্তু প্রমাণ জোগাড় করা কতটা সহজ হবে? প্রযুক্তি tracking ট্র্যাকিং করতে পারবে তো?