ট্রাইব্যুনালের প্রশ্ন: ক্যাঙারু দেখেছেন কখনো, আসামির জবাব ‘না স্যার’

আদালতের সামনে দাঁড়িয়ে আসামি মাথা নিচু করে বললেন, “new কিছু বলতে পারব না। আমি ভুল করেছি।” এর আগে ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান জিজ্ঞাসা করেছিলেন, “আপনি কি ক্যাঙারু দেখেছেন কখনো?” উত্তর এলো, “no sir !”—একটি প্রশ্ন যা হাসি তুলেছিল, কিন্তু তার নিচে ছিল serious এক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। যুবলীগ নেতা এম এইচ পাটোয়ারী বাবু ফেসবুকে একটি বিতর্কিত পোস্ট করায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে হাজির হয়েছিলেন, যেখানে তিনি ‘অবৈধ ক্যাঙারু কোর্ট’ বলে উল্লেখ করেছিলেন।

ট্রাইব্যুনাল শুরুতে তাঁকে ১২ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছিল। কিন্তু চিফ প্রসিকিউটরের অনুরোধে তা কমিয়ে দুই মাস করা হয়। এই ছোট্ট শাস্তি মুখ্যত তাঁর ক্ষমা চাওয়া এবং জন চাপ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর মধ্যেই তাঁর স্ত্রীকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। আদালত তাঁদের সতর্ক করে বলেছে, ভবিষ্যতে এমন কোনও false claim আর করা যাবে না।

এই মামলার গুরুত্ব শুধু একজন আসামির শাস্তিতে নয়, বরং এটি মুক্ত ভাষণের সীমানা এবং বিচার বিভাগের প্রতি আস্থা নিয়ে উঠে আসা বড় প্রশ্ন। আসামি আদালতের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অবৈধ কার্যকলাপের অভিযোগ তোলেন, যা তদন্তকারী কর্মকর্তা নাকচ করেছেন। প্রসিকিউটর জোহা বলেছেন, এই ধরনের পোস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচার ছড়ানোর অংশ, যা সমাজে জন আস্থা নষ্ট করে।

একটি বিস্তারিত রিপোর্ট অনুযায়ী, পাটোয়ারী বাবু নিজে থেকেই পোস্টটি করেছিলেন—দাবি যে তিনি কপি করেননি, তা ভুয়া। তাঁর মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে, কিন্তু ফেসবুক পেজ এখনও সক্রিয়। আদালত বলেছে, এমন উসকানিমূলক বক্তব্য ভবিষ্যতে বিচার প্রক্রিয়াকে সরাসরি ঝুঁকি তৈরি করে। রাষ্ট্রের পক্ষে আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেছেন, আদালত অবমাননা কোনও হালকা বিষয় নয়, বিশেষ করে যখন তা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে হয়।

অন্যদিকে, আসামির আইনজীবী মাহাবুবুর রহমান খান বলেছেন, তাঁর মক্কেল শেয়ার করা পোস্টের জন্য দায়ী হতে পারেন না। কিন্তু আদালত বলেছে, ব্যক্তি responsible হবেন নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের জন্য। এই রায় এখন অনেকের কাছে উদাহরণ—যে কোনও সমালোচনা করলে তা আদালত অবমাননার মামলায় পরিণত হতে পারে। ক্ষমা চাওয়ার পরেও, এই মামলা রাজনৈতিক tension বাড়িয়েছে এবং সামাজিক মাধ্যমে আইনের প্রয়োগ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে।

মন্তব্য 6

  • রিতা_ঢাকা

    ক্যাঙারু দেখুন নি, কিন্তু আদালত pressure অনুভব করেছেন? এই case নিয়ে মজা নয়, বরং ভাবার বিষয়।

  • সুমন_৭১

    একজন যুবলীগ নেতাকে ধরা হয়েছে, কিন্তু বিপক্ষের নেতারা যখন বেশি কথা বলে তখন কেন কিছু হয় না? দ্বৈত মাপকাঠি risk বাড়ায়।

  • পলাশ

    ‘না স্যার’ বলার পর থেকেই মনে হয়েছিল মামলাটি নাটকীয় হবে। কিন্তু এটা শুধু নাটক নয়, এটা reality

  • মীরা_আহমেদ

    আদালত decision নিয়েছে, কিন্তু সামাজিক মাধ্যমে কতটা free speech থাকা উচিত, সেটাই বড় প্রশ্ন।

  • বৈশাখ

    ১২ হাজার কোটি টাকার কথা লিখতে পারলেন না—একটা মজার বিষয়, কিন্তু সেই সঙ্গে serious issue লুকিয়ে আছে।

  • আরিফ_নীল

    আদালত অবমাননা গুরুতর, কিন্তু এটা কি সবসময় fair হয়? এই case রাজনৈতিক দমনের ছদ্মবেশ না কি?