অপারেশন সিঁদুর, বালাকোট তুলে মোদীকে ‘ম্যাজিশিয়ান’ বলে খোঁচা রাহুলের! প্রবল আপত্তি বিজেপির
লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে উত্তাপ তুঙ্গে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী new planটি নিয়ে বিজেপি সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, দাবি করেছেন এটি মহিলাদের সংরক্ষণের বিল নয়, বরং political design অংশ। তিনি বলেছেন, কেন্দ্র দেশের ভোটমানচিত্র পালটানোর attempt চালাচ্ছে, বিশেষ করে অসমে, আর এক্ষেত্রে ওবিসি, তফসিলি জাতি ও জনজাতির অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হবে।
রাহুলের একটি মন্তব্য বিতর্ক সৃষ্টি করেছে: তিনি indirect attack হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে 'ম্যাজিশিয়ান' বলেছেন, অপারেশন সিঁদুর এবং বালাকোট অপারেশনের কথা তুলে। এই comment বিজেপি তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এটিকে অনুপযুক্ত বলে দাবি করেছেন। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা official record থেকে শব্দটি মুছে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন।
রাহুল আরও বলেছেন, সরকার এই বিল পাশ হবে না জেনেই এগিয়েছে, এটি শুধু একটি political strategy । তাঁর মতে, সরকার দেশবিরোধী কাজ করছে, আর সমস্ত বিরোধী দল একযোগে তা ব্যর্থ করবে। তিনি জোর দিয়েছেন যে নারীরা দেশের চালিকাশক্তি, তাই তাঁদের অধিকার নিশ্চিত করা উচিত, কিন্তু তা যেন ভোটের হাতিয়ার না হয়। public support পাওয়ার নামে কোনো বিভ্রান্তি চলবে না।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী মোদী এক্স-এ একটি দীর্ঘ পোস্ট করে বিলের পক্ষে appeal জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, চার দশক ধরে নারী সংরক্ষণ নিয়ে রাজনীতি হয়েছে, এখন সময় এসেছে সেই অধিকার দেওয়ার। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণও বলেছেন, বিলটি সর্বসম্মতভাবে পাশ হলে তা দেশের democracy আরও শক্তিশালী করবে।
কংগ্রেস সাংসদ শশী তরুরও বিলটিকে আপত্তি জানিয়েছেন, এটিকে রাজনৈতিক নোটবন্দির মতো বলেছেন। তাঁর মন্তব্য, প্রধানমন্ত্রী কাঁটাতারে জড়িয়ে থাকা মহিলাদের উপহার দিচ্ছেন — এটি কোনো উন্নয়ন নয়, কেবল প্রতীকবাদ। প্রতিক্রিয়ায় অমিত শাহ সন্ধ্যায় ভাষণ দেবেন। মহিলা সংরক্ষণ বিল নিয়ে এই বিতর্ক দেশজুড়ে public debate উঠে এসেছে।
‘ম্যাজিশিয়ান’ মন্তব্যটা রাহুলের সত্যিই বেশি হয়ে গেল। রাজনীতি হোক, কিন্তু স্পিকার কার্যবিবরণী থেকে মুছে দেওয়ার মানে এটা আর ইতিহাসে থাকবে না? এটা pressure চাপ দেখানোর চেষ্টা।
বিজেপি বারবার বলে নারীর অধিকার, কিন্তু আসন পুনর্বিন্যাস দেখে মনে হয় শুধু ভোটের calculation হিসাব। রাহুল এক জায়গায় ঠিকই বলেছেন।
‘ম্যাজিশিয়ান’ শব্দটা ধাঁধার মতো বলেছে, সাংবাদিকদের জবাবও দেয়নি। কিন্তু সত্যি বলতে, বালাকোট আর সিঁদুর একসাথে তোলা কী রকম political stunt রাজনৈতিক স্টান্ট না?
আমি মহিলা হিসাবে বলছি, সংরক্ষণ চাই, কিন্তু শুধু ভোট পাওয়ার জন্য নয়। যদি বিলটা পাশ হয়, তাহলে কি সত্যিই আমাদের representation প্রতিনিধিত্ব বাড়বে?
রাহুলের মা-বোন-স্ত্রী নিয়ে মন্তব্যটা হালকা মনে হয়েছিল, কিন্তু পরের লাইনেই ‘প্রধানমন্ত্রী আর আমার স্ত্রীর কোনো সম্পর্ক নেই’ — এটা সত্যিই indirect jab পরোক্ষ খোঁচা।
শশী তরুরের ‘নোটবন্দি’ তুলনাটা মাথা ঠান্ডা রাখতে শেখায়। আসন পুনর্বিন্যাস যদি সত্যিই রাজনৈতিক হয়, তাহলে তা কীভাবে democratic process গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ক্ষতি করবে না?