জামায়াত একটি সুসংগঠিত দল: স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্যদের support করে বলেছেন, তাঁরা অত্যন্ত ভদ্র এবং সুশৃঙ্খল। বৃহস্পতিবার ভোলার লালমোহনে আয়োজিত একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তাঁর মতে, জামায়াত বিরোধী দল হিসেবে সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখছে এবং সংসদীয় rules মেনে চলছে।
স্পিকার আরও বলেন, তিনি সংবর্ধনা নিতে আসেননি, বরং এলাকার মানুষের trust ও ভোটের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতেই এসেছেন। তাঁর কাছে এই সম্পর্ক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে সংসদের দায়িত্বের কারণে তাঁর ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। সে কারণে তিনি প্রায়শই এলাকায় আসতে পারছেন না, যদিও মনের ইচ্ছা আছে।
এ সময় তিনি ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণের plan নিশ্চিত করেন এবং ভোলায় মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের কাছে উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। এটি এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের demand বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা, প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সভাপতিত্ব করেন নাগরিক ফোরামের সভাপতি মওলানা আওয়াল। এ ধরনের জনসভা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্পর্কের ধরন বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
জামায়াতে ইসলামীর প্রতি এমন স্পিকারের statement রাজনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ কেউ এটিকে আদর্শগত স্বীকৃতি হিসেবে দেখলেও, আবার কেউ কেউ এর প্রেক্ষাপট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে অতীতে এই দলের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা থাকায়, এ ধরনের decision নানা ব্যাখ্যার জন্ম দেয়।
বিরোধী দল হিসেবে শৃঙ্খলা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু তাদের অতীতের history ইতিহাস কি ভুলে যাওয়া যায়?
স্পিকার নিজে ভোলা-বরিশাল সেতুর plan পরিকল্পনা নিশ্চিত করলেন, কিন্তু কবে হবে? এলাকার মানুষের জন্য এটাই বড় প্রশ্ন।
একটা দলকে সুশৃঙ্খল বলা এবং তাদের সমালোচনা মুখর সমাজকে pressure চাপে ফেলে দেয়। রাজনৈতিক বার্তা খুব পরিষ্কার।
trust আস্থা, কিন্তু কীভাবে জামায়াতের সাথে সহযোগিতার কথা বলা হয়? তাদের আইনগত অবস্থান কি এখনো একই আছে?
স্পিকার হিসেবে তাঁর মন্তব্য সংসদীয় গাম্ভীর্যের বিপরীতে যাচ্ছে না তো? এটা নিয়ে concern উদ্বেগ আছে।
ভোলায় মেডিকেল কলেজ? এটা হলে সত্যিই বড় অগ্রগতি হবে। শুধু আশা করি, এটা আরেকটি ঘোষণাতেই শেষ না হয়।