বিএনপি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে দৃঢ়: স্পিকার
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, new planটি বাস্তবায়নে বিএনপি বদ্ধপরিকর—যেটি জুলাই সনদ নামে পরিচিত। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে কেবল যেসব বিষয়ে official dissent আছে, সেগুলো বাদ দিয়ে বাকি সব decision নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার ভোলার সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ কথা বলেন তিনি।
স্পিকারের মতে, জুলাই সনদ হলো দেশের সম্পদ। তিনি উল্লেখ করেন, সকল রাজনৈতিক দল—যাদের সংসদে উপস্থিতি আছে—তারা সবাই এতে support দিয়েছেন। এমনকি বিএনপিও এর implementation নিয়ে আন্তরিক, যদিও কিছু বিষয়ে তাদের অবস্থান আলাদা।
তিনি আরও বলেন, সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে মূলত কোনো বড় ধরনের মতপার্থক্য নেই। যারা সংসদের বাইরে public trust নষ্ট করে সরকারকে চাপে ফেলতে চায়, তারা মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এগুলো হলো political pressure তৈরির কৌশল।
অতীতের নির্বাচনী প্রহসনের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন ছিল সুষ্ঠু। এ ধরনের free election চালিয়ে যাওয়া হলে ভালো মানুষ নির্বাচিত হবেন। তিনি বিশ্বাস করেন, একজন ভালো নেতা থাকলে সমাজ নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়।
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান এবং স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের উপস্থিতি ছিল। পরে স্পিকার লালমোহন উপজেলার এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেও অংশ নেন। তার মন্তব্য রাজনৈতিক impact ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে, বিশেষ করে সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আস্থা বাড়ানোর strategy হিসেবে।
বিএনপি support সমর্থন দিচ্ছে, কিন্তু কাজে কি সত্যিই সহযোগিতা করবে? আগের মতো শুধু কথায় না হয়!
জুলাই সনদ হলো national asset জাতীয় সম্পদ, কিন্তু সবার আগে সংসদের মধ্যে আস্থা ফিরে পেতে হবে।
কেউ কেউ সরকারের বিরুদ্ধে pressure চাপ তৈরি করছে—সেটা বুঝতে পারছি, কিন্তু জনগণ কি তাতে লাভবান?
অতীতের নির্বাচনী ঘটনা মনে করানো ভালো হয়েছে। এখন যেন আবার সেই risk ঝুঁকি না ফিরে আসে।
স্পিকার একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বলেছেন—এটা সত্যি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এরপর কি হবে? decision সিদ্ধান্ত নেওয়ার ভার কার?
ভালো নেতা হলে সমাজ ঠিক হয়—এটা শোনাচ্ছে আদর্শের কথা, কিন্তু বাস্তবে কি এতটা simple সহজ?