ঘণ্টা পেরোনোর আগেই লেবাননে নতুন যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করল ইসরাইল
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই তা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে ইসরাইলের বিরুদ্ধে। new ceasefire শুরুর আগে থেকেই লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে গোলাবর্ষণ ও নজরদারি অভিযান অব্যাহত ছিল, যা এক ঘণ্টা পেরোনোর আগেই স্পষ্ট হয়।
সংবাদ সংস্থা এনএনএ জানিয়েছে, খিয়াম ও দিব্বিনে military action চালানো হচ্ছে। মেশিনগানের গুলি এবং গোলাবর্ষণ দু’ই অব্যাহত রয়েছে, যা যুদ্ধবিরতির terms লঙ্ঘন করে বলে মনে করা হচ্ছে।
পশ্চিম বেকা উপত্যকায় ইসরাইলি নজরদারি বিমানগুলো এখনও সক্রিয়। বিশেষ করে রাশায়া ও জাবাল আল-শাইখের পশ্চিমে এসব surveillance flights দেখা যাচ্ছে। এগুলো মানবিক সহায়তার প্রবাহে risk তৈরি করছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার রাতে এই দশদিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের সঙ্গে আলোচনার পর এই decision নেওয়া হয়। কিন্তু ইসরাইলের ভেতরে বিস্তর public pressure রয়েছে, কারণ অনেকে মনে করছেন তাদের নিরাপত্তা বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইসরাইলি হামলায় এখন পর্যন্ত ২,১৯৬ জন নিহত ও ৭,১৮৫ জন আহত হয়েছেন। এই সংখ্যাগুলো মানবিক crisis গভীরতা তুলে ধরে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের তরফে আহতদের জন্য emergency support আসছে, কিন্তু অনেক এলাকা এখনও পৌঁছায়নি।
এক ঘণ্টাও রাখতে পারল না যুদ্ধবিরতি? এটা আর কী আসলে peace deal শান্তি চুক্তি, নাকি মাত্র একটা দৃশ্য?
যে দেশগুলো অস্ত্র বিক্রি করে, তারা আসলে চায় না যুদ্ধ থামুক। arms market অস্ত্রের বাজার বন্ধ হলে তাদের লাভ কমে যাবে।
২ হাজারের বেশি মানুষ মরেছে, কিন্তু কেউ থামাচ্ছে না। এই খবরে সবচেয়ে বড় human cost মানবিক বিয়োগ কথা হচ্ছে না।
ট্রাম্প চাপ দিয়েছেন, কিন্তু ইসরাইল যদি না মানে, তাহলে international pressure আন্তর্জাতিক চাপ কতটা কাজে আসে?
যুদ্ধবিরতি মানা হচ্ছে না কেন, এটা নিয়ে তদন্ত হওয়া উচিত। না হলে ভবিষ্যতে trust আস্থা তৈরি হবে কী করে?
প্রতিটা গোলা শুধু বাড়ি ভাঙছে না, প্রতিটা child's fear শিশুর ভয় বাড়ছে। এটা কি আমরা আর কতদিন দেখব?