৩ বছরে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ বিজ্ঞানী নিহত-নিখোঁজ, বাড়ছে রহস্য
২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে অন্তত ১০ বিজ্ঞানী হঠাৎ করে নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন, যার পেছনে কী risk আছে সে নিয়ে দেশজুড়ে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। এঁদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন নাসা জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরি, লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাব বা আন্তঃসংযুক্ত সংবেদনশীল research projects নিয়ে কাজ করে যাচ্ছিলেন। কিছু মৃত্যু অস্পষ্ট, কিছু ঘটনা রহস্যজনক—যেমন ৫৯ বছর বয়সী মাইকেল ডেভিড হিকসের মৃত্যু বা জ্যোতির্পদার্থবিদ কার্ল গ্রিলমেয়ারের নিজ বাসায় খুন।
নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছে মনিকা রেজা, যিনি হাইকিংয়ে গিয়ে আর ফেরেননি, এবং সাবেক বিমান বাহিনীর জেনারেল উইলিয়াম নিল ম্যাকক্যাসল্যান্ড, যাকে শেষবার মোবাইল বা ব্যক্তিগত জিনিসপত্র ছাড়াই দেখা গিয়েছিল। এই ঘটনাগুলি কোনো দুর্ঘটনা নয় বলে সন্দেহ করছেন বেশিরভাগ সাবেক ও বর্তমান গোয়েন্দা কর্মকর্তা। তাদের মতে, এগুলো একটি pattern তৈরি করছে—যা কোনো পরিকল্পিত targeting বা গুপ্তচর কার্যকলাপের ইঙ্গিত দিতে পারে।
হোয়াইট হাউস পর্যন্ত এই concern পৌঁছেছে। প্রেস সচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, ঘটনাগুলির মধ্যে সংযোগ আছে কি না তা এখনো পরীক্ষা করা হচ্ছে। কংগ্রেসম্যান টিম বারচেট স্পষ্ট করেছেন, এগুলো কোনো coincidence ঘটনা নয়। বিশেষ করে এই বিজ্ঞানীরা যে প্রতিষ্ঠানগুলিতে কাজ করতেন—যেমন এয়ার ফোর্স রিসার্চ ল্যাব—সেগুলি উন্নত প্রযুক্তি এবং জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রকল্পে কাজ করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ঘটনাগুলি মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর threat তৈরি করেছে। যদি এগুলি আন্তর্জাতিক গুপ্তচর network বা প্রতিদ্বন্দ্বী শক্তির কাজ হয়, তবে তা গবেষণা ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশাল setback পারে। এখনো কোনো সরকারি explanation না থাকায় গোয়েন্দা সংস্থাগুলি তদন্ত চালাচ্ছে, কিন্তু রহস্য আরও intensifying হচ্ছে।
এতগুলো বিজ্ঞানী একই সময়ে নিহত বা নিখোঁজ—এটা কি coincidence কাকতালীয় হতে পারে? অবশ্যই কোনো hidden agenda গোপন এজেন্ডা আছে।
গবেষণা sector খাতে এমন হামলা মানে ভবিষ্যতের প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণের battle লড়াই শুরু হয়েছে।
মার্কিন সরকার যদি এখনো স্পষ্ট statement বিবৃতি না দেয়, তাহলে জনগণের trust আস্থা হারাবে।
এয়ার ফোর্স ল্যাবের মতো জায়গায় কাজ করা বিজ্ঞানীদের নিশানা করা হচ্ছে—এটা স্পষ্টতই জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি।
এই ঘটনাগুলো যদি সত্যিই সংযুক্ত হয়, তাহলে এটা গোয়েন্দা বিশ্বের জন্য বিশাল wake-up call সতর্কবার্তা।
বিজ্ঞানীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে কি না, সেটা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এখন কি protection সুরক্ষা বাড়ানো হবে?