টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের নেতারা

টাইমের ২০২৬ সালের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকা এবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগামীদের দিকে আলোকপাত করেছে। এই তালিকায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে শুরু করে মহাকাশ গবেষণা, টেকসই কৃষি ও জিন-চিকিৎসা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিপ্লবী নাম রয়েছে। এঁদের কাজ শুধু প্রযুক্তিগত সাফল্যই নয়, মানবতার জন্য new solutions তৈরি করেছে। যে গবেষণা একসময় ল্যাবে সীমাবদ্ধ ছিল, তা আজ সরাসরি পৃথিবীর বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে।

মহাকাশের দিগন্ত প্রসারিত করছেন রিড ওয়াইজম্যান ও টনি টাইসন। ওয়াইজম্যান আর্টেমিস-২ মিশনের কমান্ডার হিসেবে মানুষকে ৫৪ বছর পর আবার চাঁদের কাছাকাছি নিয়ে গেছেন। তাঁর নেতৃত্বে ওরিয়ন মহাকাশযানটি পৃথিবী থেকে ৪,৭০০ মাইল দূরে পৌঁছেছে, যা মানব ইতিহাসের সবচেয়ে long distance । টাইসনের নেতৃত্বে চিলিতে ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরিতে ৩,২০০ মেগাপিক্সেলের একটি ক্যামেরা দিয়ে মহাকাশের একটি ১০ বছরের 'টাইম-ল্যাপস' শুরু হয়েছে। এটি প্রতি রাতে লাখ লাখ মহাজাগতিক বস্তু উন্মোচন করবে, যা dark universe ও কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে বিজ্ঞানীদের ধারণা বদলে দেবে।

প্রযুক্তির জগতে গুগলের সিইও সুন্দর পিচাই এবং ইউটিউবের নীল মোহান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। পিচাই চ্যাটজিপিটির প্রতিক্রিয়ায় গুগল ব্রেইন ও ডিপমাইন্ডকে একীভূত করে জেমিনি তৈরি করেছেন। তাঁর নেতৃত্বে গুগল এআই পণ্যের মাধ্যমে প্রযুক্তি জগতে rapid change এনেছে। মোহান ইউটিউবকে শুধু ভিডিও শেয়ারিং নয়, টেলিভিশনের বিকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর দক্ষ management ইউটিউবকে একটি গ্লোবাল মিডিয়া জায়ান্টে পরিণত করেছে।

চিকিৎসা ও কৃষিক্ষেত্রেও বিপ্লব ঘটিয়েছেন কয়েকজন। ব্রাজিলের মারিয়াঞ্জেলা হুংরিয়া রাসায়নিক সারের বদলে এমন একটি অণুজীব উদ্ভাবন করেছেন যা বাতাস থেকে নাইট্রোজেন আহরণ করে। এর ফলে সয়াবিন চাষে ব্রাজিলের কৃষকদের বছরে ২৫ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হচ্ছে এবং ২৩০ মিলিয়ন মেট্রিক টন কার্বন emissions কমেছে। অন্যদিকে, কিরণ মুসুনুরু ও রেবেকা আরেনস-নিকলাস ক্রিসপার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এক শিশুর বিরল মেটাবলিক রোগ সারিয়ে তুলেছেন। এটি হাজার হাজার শিশুর জন্য ব্যক্তিগত জিনগত চিকিৎসার hope জাগিয়েছে।

প্রযুক্তির পেছনে কাজ করে যাচ্ছেন টিএসএমসি-র সি সি ওয়ে এবং ইন্টেলের লিপ বু তান। ওয়ের নেতৃত্বে টিএসএমসি একটি সাধারণ চিপ নির্মাতা থেকে বিশ্বের অন্যতম প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। তাঁর vision ছাড়া আজকের স্মার্টফোন ও সুপারকম্পিউটার সম্ভব হত না। লিপ বু তান ইন্টেলে নাটকীয়ভাবে ফিরে এসে প্রতিষ্ঠানটিকে নতুন গতি দিয়েছেন। তাঁদের মতো নেপথ্য কারিগরদের কাজ প্রযুক্তির ভিত্তি গড়ে তুলছে।

প্রতিক্রিয়া 6

  • অর্কো

    এত বড় প্রভাব, কিন্তু আমরা শুধু শীর্ষের মুখগুলোই দেখি। পেছনের দৃশ্য কতজন গবেষকের রয়েছে ভাবলে অবাক লাগে।

  • মিসি

    টনি টাইসনের প্রজেক্টটা শুনে মনে হচ্ছে ভবিষ্যত আসলেই আমাদের হাতের মুঠোয়। কিন্তু এত ডেটা কি প্রক্রিয়া করার ক্ষমতা আছে আমাদের? pressure তো বাড়বেই।

  • গাজী

    হুংরিয়ার অণুজীব নিয়ে কাজটা একটা বিশাল breakthrough । কার্বন নিঃসরণ কমানো এখন আর শুধু বড় কারখানার ব্যাপার না।

  • তুষার

    সুন্দর পিচাই সত্যিই এআই-কে জনসাধারণের কাছে নিয়ে এসেছেন। কিন্তু এত trust দেয়া ঠিক কি? প্রাইভেসির কী হবে?

  • নীল

    বিশ্বাস করতে পারছি না মিস্টার বিস্ট এই তালিকায়। ইউটিউবে চ্যালেঞ্জ আর হাসি ছাড়া কী আর আছে? বিজ্ঞান নয় এটা।

  • প্রজাপতি

    জেমিনি নাকি চ্যাটজিপিটি—সেটা নিয়ে বাজারে competition দেখছি। কিন্তু আসল প্রশ্ন হলো, কার টেকনোলজি বাস্তবে বেশি কাজে লাগবে?

এই লেখা তথ্যভিত্তিক এবং ইংরেজি শেখার উদ্দেশ্যে পুনর্গঠিত; পাঠকের প্রতিক্রিয়া বিভিন্ন দৃষ্টিকোণের উদাহরণ।

[email protected]