পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬ নির্বাচন: বৃহস্পতিবার প্রথম দফা, কোথায় কোথায় ভোট? নজর কোনদিকে?
পশ্চিমবঙ্গে এবার মাত্র two phases হবে বিধানসভা নির্বাচন—এটি রাজ্যের নির্বাচনী ইতিহাসে একটি বিরল ঘটনা। ২৩ এপ্রিল, অর্থাৎ আগামী বৃহস্পতিবার, প্রথম দফার polling হবে ১৫২টি আসনে। প্রায় ১৫ দিন আগেই রাজ্যে পৌঁছে গেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, যা কার্যত একটি unprecedented পদক্ষেপ। ফলাফল ঘোষিত হবে ৪ মে, সোমবার।
প্রথম দফায় ভোট হবে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের ১৬টি জেলায়। এর মধ্যে রয়েছে কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা এবং আলিপুরদুয়ার। সঙ্গে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ার মতো জেলাগুলিতে সমস্ত আসনে voting নেওয়া হবে। দ্বিতীয় দফায়, ২৯ এপ্রিল, বাকি ১৪২টি আসনে ভোট হবে আরও ৭টি জেলায়।
২০২১ সালে এই রাজ্যে ৮ দফায় ভোট হয়েছিল, কিন্তু এবার মাত্র ২ দফায় সম্পন্ন হচ্ছে ২৯৪টি আসনের election । বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রশাসনিক দক্ষতা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নতি এই পরিবর্তনের পেছনে অন্যতম কারণ। এটি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে sharply এবং সংহত করে তুলেছে।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর আগাম মোতায়েন নিরাপত্তা management শক্তিশালী করেছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে এমন পদক্ষেপ কখনও নেওয়া হয়নি। এটি রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রশাসনের প্রতি public confidence বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।
২০০১ সালের পর পশ্চিমবঙ্গে আর এত কম দফায় নির্বাচন হয়নি। এবারের সংক্ষিপ্ত সূচি শুধু প্রক্রিয়াগত পরিবর্তনই নয়, এটি political ভারসাম্য এবং ভোটার আচরণের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। সবমিলিয়ে, এই নির্বাচন রাজ্যের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে একটি কালজয়ী মোড় হতে পারে।
ভোট যত কম দফায় হবে, ততই প্রচার আর প্রতিক্রিয়া ঘন ঘন হবে। campaign প্রচার এখন আরও জোরদার হবে।
কেন্দ্রীয় বাহিনী আগে এলে ভালো, কিন্তু কি actual প্রকৃত নিরপেক্ষতা থাকবে? এটাই প্রশ্ন।
৮ দফা থেকে ২ দফায় নামল—অবশ্যই একটা dramatic নাটকীয় পরিবর্তন। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে চাপ কমবে।
এত কম দিনে ভোট, কিন্তু ফলাফল আসবে ৪ মে। প্রত্যাশা বাড়ছে। tension উত্তেজনা আস্তে আস্তে চড়ছে।
উত্তরবঙ্গ আর জঙ্গলমহলে ভোট প্রথম দফায়—এটা কি কোনও strategic কৌশলগত সিদ্ধান্ত?
২০০১-এর পর এত কম দফায় নির্বাচন নয়—অর্থাৎ এটা কোনও সাধারণ বদল নয়। প্রশাসনের পাল্টা হিসেবে message বার্তা যাচ্ছে।