তৌনসায় ৩৩১ শিশু এইচআইভিতে আক্রান্ত: সিরিঞ্জ পুনরায় ব্যবহারের অভিযোগ
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের তৌনসা এলাকায় new report অনুযায়ী, শিশুদের মধ্যে এইচআইভি ছড়িয়ে পড়ার ঘটনা নিয়ে গভীর concern তৈরি হয়েছে। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৫ সালের অক্টোবরের মধ্যে অন্তত ৩৩১ জন শিশু এইচআইভিতে infected হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকজন ইতিমধ্যে died । এমন একটি ঘটনা, যা শুধু স্থানীয় নয়, গোটা দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার failure প্রতীক হয়ে উঠেছে।
অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, তৌনসা তহসিল হেডকোয়ার্টার হাসপাতাল থেকেই এই সংক্রমণের origin হতে পারে। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ rules মানা হচ্ছে বলে দাবি করেছে, গোপন পর্যবেক্ষণে ভয়াবহ অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। ব্যবহৃত সিরিঞ্জ পুনরায় ব্যবহার করা, একই ওষুধের শিশি থেকে একাধিক শিশুকে ইনজেকশন দেওয়া, গ্লাভস ছাড়াই চিকিৎসা এবং জামার ওপর দিয়ে সুঁই প্রয়োগ—এসবই হয়ে উঠেছে common practice । ব্যবহৃত সিরিঞ্জ যথাযথভাবে নিষ্পত্তি না করায় risk আরও বেড়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ ধরনের অবহেলা সংক্রমণের spread ঘটাতে সরাসরি contributes রাখে। সুঁইয়ে যদি আগের রোগীর রক্ত থেকে যায়, তবে তা সহজেই ভাইরাস transfer করতে পারে। একই সঙ্গে পাকিস্তানে অপ্রয়োজনীয় ইনজেকশনের প্রবণতা এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের shortage পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
একজন চিকিৎসক প্রথম এই unusual case লক্ষ্য করেন, যখন তাঁর কাছে আসা একাধিক শিশুর এইচআইভি রিপোর্ট পজিটিভ আসে। অনেকের চিকিৎসা হয়েছিল ওই হাসপাতালে। একজন অভিভাবক একই সিরিঞ্জ বারবার ব্যবহার করতে দেখে complaint করলেও তা গুরুত্ব পায়নি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করলেও, অতীতে একই ধরনের অভিযোগে একজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল, পরে তাঁকে অন্যত্র নিয়োগ দেওয়া হয়েছে—যা প্রশ্ন তুলেছে জবাবদিহিতার বিষয়ে।
২০১৯ সালে সিন্ধুর রাতোদেরোতে ১,৫০০ শিশু একই কারণে আক্রান্ত হয়েছিল। সম্প্রতি করাচিতেও এমন ঘটনা ঘটেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, তৌনসার অর্ধেকের বেশি সংক্রমণের পেছনে দায়ী দূষিত সুঁই। আক্রান্ত শিশুদের মুখোমুখি হতে হচ্ছে সামাজিক stigma ও বিচ্ছিন্নতার। তবুও কেউ কেউ, যেমন আসমা, ভবিষ্যতে চিকিৎসক হওয়ার dream দেখছে—যেন আর কোনো শিশু এমন neglect শিকার না হয়।
একই সিরিঞ্জ বারবার ব্যবহার? এটা তো basic hygiene মৌলিক স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন। এত ভুল কীভাবে গেল চোখের সামনে দিয়ে?
আসমার মতো শিশুদের দেখলে মন ভারী হয়। তাদের hope আশা যেন না নিভে যায়।
অপ্রয়োজনীয় ইনজেকশন দেওয়া পাকিস্তানসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশের সমস্যা। এটা medical practice চিকিৎসা পদ্ধতি নয়, বরং আর্থিক লোভের প্রতীক।
সরকার কেন প্রতিবার একই ভুল করে যাচ্ছে? আগের ঘটনার পরও কোনো real change বাস্তব পরিবর্তন হলো না কেন?
একজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করে অন্যত্র নিয়োগ? এতে তো ভীতি তৈরি হবে না, বরং অবহেলা চলতেই থাকবে।
দূষিত সুঁই থেকে এত সংক্রমণ? এটা তো শুধু ভুল নয়, এটা জনস্বাস্থ্যের ব্যর্থতা।