হাম উপসর্গে রামেক হাসপাতালে আরও এক শিশুর মৃত্যু
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে new case আসছে অবিরাম, আর সেই সঙ্গে বাড়ছে fear । হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু ঘটার পর হাসপাতাল প্রশাসন জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন ৯ জন নতুন patient ।
এদিকে, একই সময়ে ১১ জন রোগী ছাড়া পেয়েছেন, কিন্তু সেই খবরে কারও মুখে হাসি নেই। কারণ আরেক শিশুর death মানুষের মনে নতুন করে জাগিয়ে তুলেছে risk এবং pressure । হাসপাতালের মুখপাত্র ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে, কিন্তু public trust ফিরতে এখনও সময় লাগবে।
বর্তমানে হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ১৫৩ জন রোগী ভর্তি আছেন। সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর এ পর্যন্ত মোট ৫৫৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। যাদের মধ্যে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই update শুধু হাসপাতালের কাছ থেকেই আসেনি, জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের তথ্যও একই story বলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে না গেলেও পরিস্থিতি সতর্কতার ডোরগোড়ায়। শিশুদের মধ্যে এই রোগের impact বেশি, আর তাই স্বাস্থ্য কর্মীদের plan এখন দ্রুত টিকাকরণ আর সচেতনতা ছড়ানোর দিকে। তবে গ্রামের কোনও কোণে যে আরও অবহেলিত রোগী লুকিয়ে আছে, সেই concern মন থেকে যায় না।
২৪ ঘণ্টায় ৯ জন নতুন রোগী? এটা কি আর নিয়ন্ত্রণে আছে? risk ঝুঁকি তো বাড়ছেই।
একটা শিশুর মৃত্যু শুধু পরিসংখ্যান না, এটা কোনও মায়ের loss হারানো। কেন আগে থেকে পদক্ষেপ নেওয়া হলো না?
আইসোলেশনে ১৫৩ জন? বেড ক্যাপাসিটি কি যথেষ্ট? চাপ তো চিকিৎসকদের উপরও বাড়ছে। pressure চাপ সামলাতে হবে কী করে?
মারা গেছে ৪৯ জন... এই সংখ্যাটা ভাবলেই গা শিউরে ওঠে। horror ভয়াবহতা লুকিয়ে নেই এই অঙ্কে।
টিকা কার্যকর, কিন্তু গ্রামে গ্রামে পৌঁছানোই হচ্ছে না। plan পরিকল্পনা ভালো হলেও বাস্তবায়ন দুর্বল।
প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে 'পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে', কিন্তু মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে আর মারা যাচ্ছে। এই claim দাবি আর বাস্তবতার মধ্যে ফারাক কমাতে হবে।