টিকার অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে আবেদন
হামের টিকা ক্রয়ে নতুন পদ্ধতি চালু করা হয়েছিল, কিন্তু ঝুঁকি কমানো হয়নি। এর ফলে শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী বিপ্লব কুমার দাশ দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক)-এ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আবেদন দাখিল করেছেন। অভিযোগ, টিকা ও সিরিঞ্জ ক্রয়ে অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে, আর এই decision নেওয়া হয়েছিল প্রাক্তন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ড. নূরজাহান বেগমের তত্ত্বাবধানে।
আবেদনে বলা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার প্রায় ৪২ হাজার কোটি টাকার বাজেট থাকা সত্ত্বেও market থেকে সময়মতো টিকা কেনা হয়নি। এর মাধ্যমে দুর্নীতির claim উঠেছে, কারণ টিকার সংকট মহামারি আকার ধারণ করেছে। শিশুদের মধ্যে হাম দ্রুত ছড়ানোর পেছনে অনিয়মের ভূমিকা অস্বীকার করা যায় না বলে বিশ্লেষণ। আবেদনকারীর মতে, public trust ফিরে পেতে হলে তদন্ত অপরিহার্য।
সরকার ইতিমধ্যে বলেছে, বর্তমান সংকটের দায় পূর্ববর্তী প্রশাসনের। তবে সামাজিক মাধ্যমে শুধু তাই নয়, বিশেষজ্ঞ মহলেও বলা হচ্ছে, হাম রোগের impact নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় সরাসরি দায় রয়েছে সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টাদের। টিকা ক্রয়ের নতুন পদ্ধতি কার্যকর ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে।
দুদকে আবেদনের মাধ্যমে এবার রাজনৈতিক চাপের pressure তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বাস্থ্য খাতে এত বড় অসুবিধা ঘটা মানে ব্যবস্থাপনায় গভীর ত্রুটি ছিল। আর সেখানে দুর্নীতির সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সাধারণ মানুষের মনে প্রশ্ন, এত টাকা গেল কোথায়? cost হলো কী লেখা হলো, তা খতিয়ে দেখা হবে কি না?
টিকার অভাবে শিশু মরছে, আর তারা নতুন পদ্ধতির plan পরিকল্পনা নিয়ে ব্যস্ত। এটা কি আর কোনো কাজের কথা?
যারা জনগণের আস্থা পেয়েছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ শুনতে খারাপ লাগে। কিন্তু truth সত্য লুকোনো উচিত নয়।
৪২ হাজার কোটি টাকা! এত টাকা কোথায় গেল? কেউ কি একটা report প্রতিবেদন দেখিয়েছেন কখনো?
ড. ইউনূসের প্রতি আমার আস্থা ছিল, কিন্তু এই case মামলাটা নিয়ে চিন্তা বাড়ছে। দুদক তদন্ত করুক।
রাজনীতির আড়ালে স্বাস্থ্য খাত ধ্বংস হচ্ছে। এই issue বিষয়টা ঘুরিয়ে ফেলা হচ্ছে।
শিশুদের জীবনের চেয়ে বড় কোনো support সমর্থন নেই। যারা দায়িত্বে ছিলেন, তাদের জবাব দিতে হবে।