চার-পাঁচজন উপদেষ্টার কাছে গিয়েও ‘হেল্প’ পাইনি: মাহফুজ আলম
রামগঞ্জ-লক্ষ্মীপুর এলাকার উন্নয়নের জন্য help পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি জানিয়েছেন, চার-পাঁচজন advisor কাছে গিয়েও কোনো সহযোগিতা পাননি। আজ বুধবার রাতে ফেসবুকে একটি পোস্টে তিনি এই claim করেন। মাহফুজ বলেন, এলাকার উন্নয়নের জন্য তিনি বারবার দেখা করেছেন, ডিও চিঠি দিয়েছেন, কিন্তু কোনো response আসেনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই অসহযোগিতা একটি রাজনৈতিক দলের pressure বা সিদ্ধান্তের কারণে হয়েছে। মাহফুজ বলেন, তিনি সেই দলের বিরোধিতা করেছিলেন বলেই তাঁকে বা তাঁর এলাকাকে কোনো সহায়তা দেওয়া হয়নি। তিনি বিদ্রুপ করে লেখেন, তিনি নাকি একটি "অযোগ্য" উপদেষ্টা, আর সেই রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় ছিল না বলেও তাঁদের সিদ্ধান্তে impact পড়েছে।
এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন যে, তাঁর বাবা যে মাদ্রাসাটি ১৫ বছর পরিচালনা করেছেন এবং যেখানে তিনি নিজে ৮ বছর পড়েছেন, সেই মাদ্রাসাও এমপিওভুক্ত হয়নি। এর কারণ তিনি আবার একই political decision হিসেবে উল্লেখ করেন। এমপিওভুক্তি না পাওয়ায় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের উপর pressure পড়েছে।
মাহফুজ আলমের এই পোস্ট জাতীয় সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর সংসদে করা "আকুতি" থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছে বলে তিনি স্পষ্ট করেন। তাঁর কথায়, হাসনাত বলেছেন যে তিনি নিজের এলাকায় মুখ দেখাতে পারবেন না, কিন্তু মাহফুজ বলেন, তাঁর মুখটা ঢেকে দিয়েছেন তাঁর নিজের সহকর্মীরা। তিনি বলেন, "খোদা তাঁদের মঙ্গল করুন"—যা বিদ্রুপ ও bitterness একসাথে প্রকাশ করে।
এলাকার উন্নয়নে help হেল্প না পাওয়া মানুষের কাছে খুবই বেদনাদায়ক, বিশেষ করে যখন নিজের দলের লোকেরা চোখ বুজে থাকে।
একটা মাদ্রাসা এমপিও পেল না কারণ কেউ রাজনৈতিক বিরোধিতা করেছে? এটা কি শিক্ষার issue ইস্যু নাকি শুধু প্রতিশোধ?
উপদেষ্টা হওয়া সত্ত্বেও যদি কেউ support সমর্থন পান না, তাহলে সাধারণ মানুষ কীভাবে পাবে? এটা দেখে আস্থা ভাঙে।
তিনি নিজেকে "অযোগ্য" বলছেন, কিন্তু যারা ক্ষমতায় থাকা সত্ত্বেও এলাকার জন্য কিছু করেননি, তারাই আসলে decision সিদ্ধান্ত নেওয়ার যোগ্য নন।
রাজনীতি যদি উন্নয়নের barrier বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তবে মানুষ কেবল ভোগবে। এটা কোনো নতুন কথা না, কিন্তু শোনা লাগে।
প্রশ্ন হলো, যারা চাপ দিচ্ছে তারা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করছে? কোনো official আধিকারিক কি এর ব্যাখ্যা দেবেন?