মব সহিংসতা নিয়ে উপদেষ্টার সতর্কবার্তা: চোর ধরা পড়লেও মারধর যাবে না
সম্প্রতি দেশে ঘটা মব সহিংসতার ঘটনাগুলো নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, কোনো অপরাধী হাতেনাতে ধরা পড়লেও তাকে পিটিয়ে মারা তো দূরের কথা, even beating করা যাবে না। এ ধরনের আইনহীন আচরণ একটি গভীর social risk তৈরি করছে বলে মনে করেন তিনি।
উপদেষ্টা জানান, মব সহিংসতা কোনো হঠাৎ ঘটনা নয়, বরং এর পেছনে আছে দীর্ঘদিনের সামাজিক অবক্ষয়। তিনি মনে করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় কিছু ঘটনায় public pressure না দেখে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, যা সমাজে একটি ভুল মানসিকতা গড়ে তুলেছে। এখন মানুষ মনে করে তারা নিজেরাই deliver punishment দিতে পারে—যা গণতান্ত্রিক আইনের শাসন-এর জন্য বিপজ্জনক।
ডা. জাহেদ আরও উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সহিংসতার অনেক ঘটনাই আসলে স্বতঃস্ফূর্ত নয়, বরং planned crime । কাউকে ঘিরে ফেলা বা অফিস অবরোধ করা হচ্ছে পূর্বপরিকল্পিতভাবে। এগুলো মব নয়, এগুলো হলো সংগঠিত criminal action । এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি স্পষ্ট করেছেন।
গ্রেফতারের বিষয়ে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনো পোস্টের কারণে গ্রেফতার হলে তা সতর্কতার সঙ্গে হওয়া উচিত। এক্ষেত্রে legal guidelines আরও সুস্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। এ জন্য একটি আইনজীবী প্যানেল গঠন করা হচ্ছে যাতে গ্রেফতারের আগে বিষয়টি যাচাই করা যায়। তিনি জনগণের কাছে awareness বাড়ানোর আহ্বান জানান, যাতে মিথ্যা বা উসকানিমূলক তথ্য ছড়ানো না হয়।
শেষে তিনি বলেন, সরকার নির্বাচনী ইশতেহারের progress নিয়মিত জনগণের কাছে তুলে ধরবে। প্রতি তিন মাসে একটি করে public report প্রকাশ করা হবে। এর মাধ্যমে সরকারের জবাবদিহিতা বজায় রাখা হবে এবং জনগণের public trust ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করা হবে।
একদিকে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া বন্ধ করতে হবে, অন্যদিকে মানুষ যখন পুলিশের উপর trust আস্থা হারাবে, তখন এটা কি বাস্তবসম্মত?
যদি মানুষ মনে করে আইন তাদের পক্ষে কাজ করছে না, তবে তারা take law আইন নিজের হাতে তুলে নেবেই। সমস্যা কেবল মব নয়, এর গোড়ার কারণ খুঁজতে হবে।
মানুষকে বললেই মারধর বন্ধ হয়ে যাবে? পুলিশের response প্রতিক্রিয়া যদি দ্রুত না হয়, তবে ক্ষুব্ধ জনতা নিজেদের বিচার করবে।
পরিকল্পিত সহিংসতা বনাম মব—দুটোর মধ্যে পার্থক্য করা গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু কীভাবে প্রমাণ করবেন কোনটা কী? evidence প্রমাণ তো দরকার।
আইনজীবী প্যানেল গঠন ভালো পদক্ষেপ, কিন্তু তারা কি সত্যিই স্বাধীনভাবে কাজ করবে? government pressure সরকারি চাপ থাকবে না তো?
জনসচেতনতা বাড়ানো দরকার, তবে রাষ্ট্রও যেন মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর দায় এড়ায়—hypocrisy দ্বৈত আচরণ চলবে না।