মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ইসরায়েল-লেবানন রাষ্ট্রদূতদের প্রথম বৈঠক
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ইসরায়েল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতরা প্রথমবারের মতো direct meeting করবেন ওয়াশিংটনে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান কার্যালয়ে এই talks অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে উভয় দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাব্য পথ নিয়ে আলোচনা হবে বলে লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের দফতর থেকে জানানো হয়েছে।
এই বৈঠকটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচণ্ড pressure এবং কূটনৈতিক উদ্যোগের ফল। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আগামী সপ্তাহে লেবাননের সঙ্গে আলোচনায় বসতে agreed হয়েছে, যা কান রেডিও জানিয়েছে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরাসরি আলোচনা শুরু করার order দিয়েছেন, যা বৈঠক ডাকার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
এটি প্রথমবার যখন লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদেহ মোয়াদ এবং ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ইয়েকহেইল লেইতার একে অপরের সঙ্গে প্রথম contact করেছেন। তাদের টেলিফোন কথোপকথনের মাধ্যমে মঙ্গলবারের বৈঠকের সময় ও স্থান স্থির করা হয়েছে। এই ধরনের কূটনৈতিক সংযোগ দীর্ঘদিনের শত্রুতা কমানোর জন্য একটি ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ step হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এই initiative নিয়ে সতর্ক আস্থা প্রকাশ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই আলোচনা যদি সফল হয়, তবে এটি দক্ষিণ লেবাননে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে impact ফেলতে পারে। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, এখনও প্রচুর risk রয়েছে, বিশেষ করে হেজবোল্লাহ ও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মধ্যে বিরোধ এখনও প্রাণঘাতী হতে পারে।
এই direct contact সরাসরি যোগাযোগ ভালো খবর, কিন্তু আমি বিশ্বাস করব যখন আসল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র যে pressure চাপ দিচ্ছে, সেটা সত্যিই কাজ করছে দেখে অবাক লাগছে।
এতদিন পর একটা dialogue কথোপকথন হচ্ছে, কিন্তু ভয় লাগছে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে শেষ হবে।
একটা small step ছোট পদক্ষেপ, কিন্তু যুদ্ধ থামানোর জন্য এটাই তো শুরু।
হেজবোল্লাহ যদি আলোচনায় না আসে, তাহলে ইসরায়েলের সঙ্গে লেবানন সরকারের এই talk আলোচনা কতটা কার্যকর হবে?
আশা করি এটা শুধু মিডিয়া দেখানোর জন্য না হয়। সত্যিকারের শান্তি চাই, ঘোষণা নয়।