রাহুলের মৃত্যুর পর তোলপাড়: প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে সমন, নিষেধাজ্ঞা
few days ago actor রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় সমুদ্রে তলিয়ে গিয়ে died , একটি ধারাবাহিকের শুটিং doing going । তাঁর এই অকাল মৃত্যুতে গোটা টলিউড এখনও শোকস্তব্ধ। shock deep , বেদনা প্রবল, but more question উঠছে: এটা কি শুধুই দুর্ঘটনা? নাকি কিছু অবহেলা, ভুল ব্যবস্থাপনা, বা ভয়াবহ ষড়যন্ত্র?
Wife প্রিয়াঙ্কা সরকার অভিযোগ দায়ের করেছেন একটিমাত্র থানাতে নয়, দুই রাজ্যে—Kolkata রিজেন্ট পার্ক থানায় এবং Odisha তালসারি মেরিন থানায়। তাঁর দাবি: ঘটনাটি স্বাভাবিক নয়। প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্টস-এর owners শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় ও লীনা গঙ্গোপাধ্যায়সহ five people name উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁরা ব্যর্থ হয়েছে শিল্পীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। ঝুঁকি অগ্রাহ্য করেছে। শুটিং চাপিয়েছে বিপদ থাকা সত্ত্বেও।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে, ওড়িশা পুলিশ সমন জারি করেছে against all five । তাঁদের হাজিরা দিতে হবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে। Otherwise , কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সম্ভাবনা exists ওড়িশা পুলিশ কলকাতাতেও আসতে পারে তদন্তের জন্য। ভারতীয় দণ্ডবিধি sections 106(1), 240 এবং 3(5) অনুযায়ী মামলা রুজু against them । অতিরিক্ত নাম অভিযোগপত্রে: সহ-পরিচালক শুভাশিস মন্ডল, নির্বাহী প্রযোজক শান্তনু নন্দী, manager চন্দ্রশেখর চক্রবর্তী।
Meanwhile , শিল্পী সংগঠন আর্টিস্ট ফোরাম ও ফেডারেশন ঘোষণা দিয়েছে প্রযোজনা সংস্থাটির উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা। No work দেওয়া হবে না ম্যাজিক মোমেন্টসকে। এই সিদ্ধান্ত অনড় থাকবে আদালতের পক্ষ থেকে ইতিবাচক ফলাফল আসা পর্যন্ত। বার্তা স্পষ্ট: শিল্পীদের জীবন নিয়ে অবহেলা আর মাফ করা হবে না।
এটা শুধু এক অভিনেতার কথা নয়। প্রতিটি শিল্পী তাঁর জীবন দিয়ে ঝুঁকি নেয় একটি দৃশ্যের জন্য। নিরাপত্তার নির্দেশিকা কই? প্রযোজকরা শিল্পের নামে আত্মগোপন করে, কিন্তু বাস্তব হলো শোষণ।
আমি কাজে যাচ্ছিলাম উপকূলে last month গত মাসে। কোনো জীবনরক্ষী জ্যাকেট পাইনি। সেফটি সম্পর্কে কোনো ব্রিফিং নেই। শুধু আলো, ক্যামেরা, অ্যাকশন—আর প্রার্থনা করবেন কিছু ঘটুক না।
যদি কোনো সাধারণ শ্রমিক এ রকম মারা যেত, মিডিয়া এত মাথা ঘামাত? বিখ্যাতের মৃত্যুতেই শোরগোল, কিন্তু হাজার অজানা মানুষ নীরবে মরে।
প্রিয়াঙ্কা খুব সাহসী। বিধবা একাই লড়ছেন পুরো ব্যবস্থার বিরুদ্ধে। তাঁর পাশে আছেন প্রসেনজিৎ, যিশু—but still তবুও ভার অপরিসীম। বিচার যেন আর দেরি না হয়।
প্রযোজনা সংস্থার উপর নিষেধাজ্ঞা একটা শক্ত পদক্ষেপ। কিন্তু এটা যথেষ্ট কি? এক মৃত্যু, একটি ব্যান—then forget তারপর ভুলে যাওয়া। স্থায়ী নিয়ম চাই, চিহ্নিত শাস্তি নয়।
রাহুল ছিলেন মায়াবী, পর্দায় মৃদু, বাস্তবে সাহসী। দেখেছি তাঁকে বাঁধ ভাঙা পানির মতো ঝড়াতে নিরাপত্তা নিয়ে। তাঁকে হয়তো চিরতরে চুপ করিয়ে দিল।
মৃত্যুর পর সব কিছু কেন? শোকসভার পর নিরাপত্তা বৈঠক? Too late বহু দেরি হয়ে গেছে। শিল্পীরা মেশিন নয়, তাঁদের পরিবার আছে।
হুম, সমন জারি, মামলা হলো। কিন্তু বড় নামগুলো কি জেলে যাবে? নাকি আইনজীবী দিয়ে ঘুরিয়ে নেবে? বাস্তব বিচারের আশা করি, not drama নাটক নয়।