বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬: বাচ্চাদের ডায়াবেটিস মানে শুধু টাইপ ১ নয়— মিস করলে বিপদ

বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬-এ আসছি এক সত্যি চিকিৎসা সতর্কতায়। ডায়াবেটিস শুধু adults রোগ নয়— ছোটদেরও হচ্ছে, আর সেটা টাইপ ১ নয় মাত্র, বরং নানান form danger এখানে যে, পরিবার মনে করে বাচ্চার ডায়াবেটিস হলেই মানে টাইপ ১। কিন্তু চিকিৎসা যদি ভুল ধারায় যায়, তাহলে সমস্যা বাড়বে, না কমবে।

প্রখ্যাত এনডোক্রিনোলজিস্ট ডা. Ashis Mitra স্পষ্ট করে দিচ্ছেন: জুভেনাইল ডায়াবেটিস শব্দটা এখন চিকিৎসাক্ষেত্রে আর প্রায় অপ্রচলিত। কারণ, ছোটদের মধ্যে ডায়াবেটিস হলেই যে টাইপ ১, তা নয়। বরং বাচ্চাদের ডায়াবেটিস বলতে আসলে বোঝায় নানা ধরনের রোগের গুচ্ছ— যা ভুল চিকিৎসার ঝুঁকি বাড়ায়।

first কথা ওঠে নিওনেটাল ডায়াবেটিস এর। এটি newborn থেকে one-and-a-half year শিশুদের মধ্যে হতে পারে। রোগটি ধরা পড়ে জিনগত পরীক্ষায়। ভাল কথা হল, সময়মতো ধরা পড়লে ইনসুলিন নয়, শুধু ওষুধেই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

টাইপ ১ ডায়াবেটিস আসলে একটি অটো ইমিউন রোগ— শরীর নিজেই ইনসুলিন তৈরি করা বন্ধ করে দেয়। এটি সাধারণত ৫-১০ বছর বয়সে শুরু হয়। লক্ষণ? ঘন ঘন প্রস্রাব, বেশি জল খাওয়ার ইচ্ছা, হঠাৎ ওজন কমা, ক্লান্তি। সন্দেহ হলে দুটি অ্যান্টিবডি টেস্ট করা হয়। এরপর সারাজীবন ইনসুলিন প্রয়োজন।

মডি বা যুবকদের মধ্যম বয়সে ডায়াবেটিস— এটি genetic রোগ। সাধারণত ১৫-১৬ বছর বা তার বেশি বয়সে দেখা দেয়। জিন পরীক্ষা আর তিন প্রজন্মের মেডিক্যাল ইতিহাস দেখে রোগ নির্ণয় হয়। ভাল খবর হল, ইনসুলিন নয়, সালফোনিলিউরিয়া জাতীয় ওষুধে কাজ হয়।

আর সবচেয়ে আশঙ্কার খবর: টাইপ ২ ডায়াবেটিস এখন কমবয়সীদের মধ্যেও। হ্যাঁ, মাত্র teens মধ্যে এটি দেখা দিচ্ছে। কারণ? junk food , স্থূলতা, অনাবশ্যক মোবাইল ব্যবহার। ইনসুলিনের প্রতি প্রতিরোধ তৈরি হয়। এখানে ইনসুলিন সেনসিটাইজার ওষুধ কাজে লাগে। কিন্তু মূল চাবিকাঠি হল জীবনযাপন পদ্ধতি বদল

সুতরাং, শুধু সচেতনতাই যথেষ্ট নয়— সঠিক রোগ নির্ণয় প্রয়োজন। এক ধারায় সব children treatment নয়। একজন বিশেষজ্ঞ দেখলে ভুল চিকিৎসা হবে না। ঠিক চিকিৎসা মানেই ভালো জীবনযাপন— যেখানে child স্বাভাবিক জীবন পাবে।

মন্তব্য 8

  • মা_২০২৪

    I panicked হয়েছিলাম যখন আমার ছেলের বারবার প্রস্রাব হত। ডাক্তার বললেন টাইপ ১, কিন্তু টেস্টে ঠিক উল্টো। এই লেখাটা আগে পড়লে কত টেনশন কমত!

  • ডিএম_স্পেশাল

    As a doctor বলছি, নিওনেটাল ডায়াবেটিস এখন বাংলাদেশ বা পশ্চিমবঙ্গেও কম নয়। অনেক শিশুতত্ত্ববিদ এটা মিস করছেন। জেনেটিক টেস্ট করা জরুরি।

  • ফিটনেস_সন্দীপ

    আমার ১৪ বছরের কাজিন এ মাসে টাইপ ২ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি। জাঙ্ক ফুডের আসক্তি ছিল। এখন ডায়েট কন্ট্রোল, এক্সারসাইজ। মন ভারী, কিন্তু পরিবর্তন সম্ভব

  • জিনগবেষক

    মডি সত্যিই অল্প ধরা পড়ে। এটা ক্লিনিকালি টাইপ ১ এর মতো দেখায়, কিন্তু জিনগত পরিবর্তন থাকে। পরিবারে যদি বাবা-মা-দাদা-দিদা ডায়াবেটিক হন, সাথে লক্ষণ— তো একটু গভীরে খুঁজুন

  • সুমিতা_মা

    আমার মেয়ের বন্ধুর জিন টেস্ট করে নিওনেটাল ধরা পড়েছিল। ইনসুলিনের বদলে ওষুধ— মা হিসেবে মনে হয়েছিল যেন miracle ! এমন তথ্য প্রচার হোক বেশি।

  • রাজ_৩৬০

    আগে শুনতাম ডায়াবেটিস grandparents রোগ। আজ বাচ্চারা! জীবনযাপন বদলাচ্ছে, রোগও বদলাচ্ছে। কিন্তু society এখনও পিছিয়ে। সচেতনতা তৈরি করুন, সময় নষ্ট করবেন না।

  • নীলাঞ্জনা

    জুভেনাইল ডায়াবেটিস নামটা এখন আর নেই? ভাবিনি! এটা শুধু শব্দ নয়, ভুল রোগ নির্ণয়ের ঝুঁকি। স্কুলে workshop করা উচিত।

  • ডাক্তার_সানু

    As a physician বলব, ইনসুলিন রেজিসটেন্স যুবকদের মধ্যে বাড়ছে। বিএমআই চেক করুন, পেটের মাপ দেখুন। প্রথম লক্ষণ অ্যাক্যানথোসিস নিগ্রিকান্স— ঘাড়ে কালো দাগ। দেখলে ডাক্তারের কাছে যান।