‘তারা বলত, আপনাকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে’

একসময় গুমের অন্ধকারে আটক থাকা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গোপন কারাগারের কথা উঠিয়েছেন, যেখানে তাকে ২১ ফুটের একটি কক্ষে রাখা হয়েছিল। new করে চালু হওয়া এ মামলায় তিনি বলেন, 'আমি মৃতপ্রায় অবস্থায় ছিলাম, চিকিৎসকের পরামর্শে সেই ঘরে এসি লাগানো হয়।'

জেরার সময় আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু জানতে চান, কীভাবে তিনি গুম হয়েছিলেন, কোথায় রাখা হয়েছিল, এবং সেনাবাহিনী থেকে compensation পেয়েছেন কি না। আযমী স্পষ্ট করেন, তিনি কোনো official ক্ষতিপূরণ পাননি। তবে তার চাকরি থেকে dismissal এবং পরে অবসরের নথির বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করতে পারেননি।

এই ঘটনা নিয়ে আসামিদের মধ্যে রয়েছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তারা। মামলাটি এখন জনসাধারণের attention কাড়ছে, কারণ এটি শুধু একটি ব্যক্তিগত case নয়, বরং সার্বিক justice এবং সত্যের প্রতি আস্থা/trust ফিরিয়ে আনার লড়াই।

আযমীর মুখে শোনা গেল, 'তারা বলত, আপনাকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে।' এ কথাগুলো শুধু একটি ব্যক্তির দুঃসহ অভিজ্ঞতার ইঙ্গিত নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় pressure এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের একটি নগ্ন চিত্র তুলে ধরে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এ ধরনের practice কি আর চলবে?

ট্রাইব্যুনালের পরবর্তী শুনানি আগামী ২১ এপ্রিল নির্ধারিত হয়েছে। মামলাটি এগোনোর সাথে সাথে সামনে আসবে আরও নথি, সাক্ষ্য এবং রাজনৈতিক implication । এটি শুধু আইনি process নয়, বরং একটি জাতির অতীত ও ভবিষ্যতের মধ্যে এক সন্ধিক্ষণ।

মন্তব্য 6

  • রিতা

    এই 'তারা' কারা? নাম না করে এভাবে কথা বলা কি সত্যি প্রকাশের পক্ষে যথেষ্ট? clarity চাই।

  • কৌশিক

    গুমের পর ক্ষতিপূরণ না পাওয়াটা বুঝলাম, কিন্তু এতদিন পর কেন এই মামলা? timing নিয়ে প্রশ্ন আছে।

  • নীল

    যারা ক্ষমতায় ছিল তারা যে কতটা অমানবিক আচরণ করেছে, তার নতুন প্রমাণ মিলছে। abuse এর বিরুদ্ধে কঠোর বিচার হোক।

  • সোহান

    আয়মীর কথায় শুধু ভয় নয়, অসহায়ত্ব ছিল। এ ধরনের গল্প পড়লে বুক ফেটে যায়।

  • জয়

    মামলার আসামি হিসেবে শেখ হাসিনার নাম থাকা নিয়ে অনেকে বিতর্ক তুলবে। কিন্তু আইনের চোখে সবাই সমান, equality চাই।

  • তানভীর

    এসি লাগানো ঘরে আটক থাকা মানুষ বলছেন, 'আপনাকে আমাদের বাঁচিয়ে রাখতে হবে'—এটা কি কোনো moral দায়? নাকি শুধু নির্যাতনের একটা অংশ?