Vinfast Limo Green: ফ্যামিলি কার সেগমেন্টে নতুন গাড়ি আনছে ভিনফাস্ট, টক্কর দেবে অন্যান্য ৭ সিটের গাড়িকে!
ভারতের family car বাজারে এক নতুন চমক নিয়ে হাজির হতে চলেছে ভিয়েতনামি সংস্থা ভিনফাস্ট। তাদের আসন্ন মডেল সাত আসনের ইলেকট্রিক এমপিভি 'লিমো গ্রিন' কিয়া কারেন্স ক্লাভিয়াস ইভি-এর মতো প্রতিষ্ঠিত মডেলগুলির সঙ্গে প্রত্যক্ষ competition করবে। ভিনফাস্টের সিইও ইঙ্গিত দিয়েছেন যে এটি তাদের ভারতীয় পোর্টফোলিওকে আরও শক্তিশালী করবে, যেখানে ইতিমধ্যে ভিএফ ৬ এবং ভিএফ ৭ এসইউভি বাজারে উপস্থিত।
এমপিভিটিতে থাকবে প্রায় ৬০ কিলোওয়াট আওয়ারের ব্যাটারি প্যাক, যা এক চার্জে আনুমানিক ৪৫০ কিলোমিটার রেঞ্জ দেবে। একটি ২০০ হর্স পাওয়ারের ইলেকট্রিক মোটর এই গাড়িকে পর্যাপ্ত শক্তি দেবে, যা বিশেষজ্ঞদের মতে একটি ফ্যামিলি গাড়ির জন্য যথেষ্ট। চার্জিংয়ের ক্ষেত্রে, ১১ কিলোওয়াট এসি এবং ৮০ কিলোওয়াট ডিসি ফাস্ট চার্জিংয়ের সুবিধা থাকবে, যা মাত্র ৩০ মিনিটে ১০% থেকে ৭০% পর্যন্ত চার্জ করার সুযোগ দেবে – এটি দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য একটি বড় advantage ।
ডিজাইনে, লিমো গ্রিন ভিনফাস্টের স্বকীয় স্টাইল বজায় রাখলেও ভিএফ ৬ এবং ভিএফ ৭ থেকে আলাদা হবে এবং আরও sleek ও ভবিষ্যতমুখী হবে। গাড়ির দৈর্ঘ্য ৪,৭৪০ মিমি এবং হুইলবেস ২,৮৪০ মিমি হওয়ায় কেবিনের মধ্যে cabin space হবে আরামদায়ক। অভ্যন্তরে থাকবে ১০.১ ইঞ্চির টাচস্ক্রিন, যেখানে ফিজিক্যাল বাটনের বদলে ডিজিটাল কন্ট্রোল ব্যবহার করা হবে। এটি আধুনিক অনুভূতি দেবে, তবে কিছু গাড়ি বিশেষজ্ঞ safety concern নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন – গাড়ি চালানোর সময় টাচ ইন্টারফেস ব্যবহার করা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
দামের বিষয়ে, অনুমান করা হচ্ছে গাড়িটির মূল্য শুরু হবে ১৬ থেকে ১৭ লক্ষ টাকা থেকে। এই মূল্য পরিসর এটিকে সেগমেন্টের প্রতিযোগীদের তুলনায় বেশ স্পর্ধাজনক করে তোলে। ভিনফাস্টের এই পদক্ষেপ যদি সঠিক বাজার প্রতিক্রিয়া পায়, তবে তারা ভারতের ইলেকট্রিক গাড়ি market তাদের দাবি আরও শক্ত করতে পারে। প্রশ্ন হলো, এই লিমো গ্রিন কি আসলেই ভারতের পারিবারিক ইলেকট্রিক গাড়ির সেগমেন্টে একটি গেম-চেঞ্জার হবে?
১৭ লাখে ৭ সিটার ইলেকট্রিক এমপিভি? যদি চার্জিং speed গতি এবং রেঞ্জ ঠিক থাকে, তাহলে কিয়া ক্লাভিয়াসকে টক্কর দিতে পারে।
টাচস্ক্রিনে সব কন্ট্রোল? এটা আমার কাছে safety risk নিরাপত্তার ঝুঁকি মনে হচ্ছে। গাড়ি চালানোর সময় এসি চালাতে হাত নামালে কেমন করে?
ভিনফাস্ট শুধু গাড়ি নয়, চার্জিং infrastructure অবকাঠামো নিয়েও কাজ করছে। এটাই তাদের বড় প্রতিযোগিতামূলক advantage সুবিধা।
বাংলার রাস্তার condition অবস্থা ভাবলে এই সব স্লিক গাড়ি নিয়ে ভাবাই বৃথা। ফুটপাথ, গর্ত, জলাবদ্ধতা – কে মেরামতি দেবে?
২০০ হর্সপাওয়ার মানে দ্রুত গতি নয়, তবে পর্যাপ্ত। আসল decision সিদ্ধান্ত হবে বিক্রয়োত্তর সেবার উপর।
যদি ব্যাটারি lifespan আয়ু ভালো হয় এবং প্রতিস্থাপনের খরচ কম রাখে, তাহলে ভিনফাস্টের সাফল্য অনিবার্য।