উত্তর ২৪ পরগনা: কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কোথায় কোথায় দেখা যাবে বুলেটপ্রুফ 'মার্কসম্যান'কে? আপনার এলাকাতেও কি আসছে?
উত্তর ২৪ পরগনার মতো সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে এবার দেখা মিলবে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে অত্যাধুনিক বুলেটপ্রুফ সামরিক vehicle 'মার্কসম্যান'-এর। বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে শান্তি ও security বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ, যা ভোটারদের মধ্যে trust বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রথম দফার ভোটের কেন্দ্রগুলিতে পৌঁছে গিয়েছে এই যান, আর দ্বিতীয় দফায় বসিরহাট, বাগদা, দেগঙ্গা ও আমডাঙ্গায় deployment হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সিআরপিএফ এই high-risk পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য 'মার্কসম্যান'-এর মতো দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল বাহিনী তৈরি করছে। কাশ্মীরসহ দেশের বিভিন্ন sensitive এলাকায় এর আগেও এই ধরনের যান ব্যবহার করা হয়েছে। এটি মূলত একটি লাইট আর্মার্ড পার্সোনেল ক্যারিয়ার, যা সেনা ও আধা-সামরিক বাহিনীর জন্য তৈরি, এবং সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় এর role গুরুত্বপূর্ণ।
এই গাড়িটি B6 স্তরের ballistic সুরক্ষা নিয়ে আসে, যা ৭.৬২ মিমি পর্যন্ত গুলি থামাতে পারে। গ্রেনেড বিস্ফোরণের ধাক্কা থেকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য এর তলা বিশেষভাবে ডিজাইন করা। ভিতরে থাকা জওয়ানরা সম্পূর্ণ protected থাকেন, কারণ এর একটি 'আর্মার্ড ক্যাপসুল' ডিজাইন আছে। ড্রাইভার ও কো-ড্রাইভারসহ মোট ছয়জন এতে আরোহণ করতে পারেন।
দুর্গম পাহাড়ি বা কাদামাটি পথে চলাচলের জন্য ৪×৪ ড্রাইভ ও শক্তিশালী ডিজেল ইঞ্জিন রয়েছে এতে। এর নমনীয়তা এবং দ্রুত গতি এটিকে অপারেশনাল পরিস্থিতিতে অত্যন্ত কার্যকর করে তোলে। এই গাড়ি শুধু নিরাপত্তা নয়, একটি deterrent উপাদানও হিসাবে কাজ করে, যা সহিংসতার আশঙ্কা কমায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবিগুলি দেখে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এক ধরনের anxiety তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে অনেকে এটিকে নিরাপত্তার নতুন standard হিসাবে স্বাগত জানিয়েছেন। এই নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে 'মার্কসম্যান'-এর ভূমিকা হবে কেন্দ্রীয়, এমনটাই মনে করছেন প্রশাসনের একাংশ।
আমাদের এলাকায় আসছে? এত pressure চাপ কেন? ভোট হবে নাকি যুদ্ধ?
কাশ্মীরের মতো এখানেও? মানে পরিস্থিতি আর কতটা critical গুরুতর হয়েছে?
ভালো হচ্ছে, দুর্ঘটনা বা হানাহানি এড়াতে এতে support সমর্থন পাবে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় গাড়ির ছবি দেখেছি। দেখতে অনেকটা মার্কসম্যান নয়, বরং tank ট্যাংক-এর মতো!
এত বড় ব্যয় কি সত্যিই প্রয়োজন ছিল? কেন্দ্রীয় বাহিনীর cost খরচ কে বহন করবে?
যে কোনো সন্ত্রাসী আক্রমণের আগেই এটা একটা warning সতর্কবার্তা, মন্দ না।