পাকিস্তানে ৩৩১ শিশু এইচআইভিতে আক্রান্ত: হাসপাতালে অবহেলা নাকি ব্যবস্থাগত ব্যর্থতা?
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের তৌনসা এলাকায় new case নিয়ে স্বাস্থ্য জগতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মাত্র এক বছরের মধ্যে at least ৩৩১ জন শিশু HIV positive হওয়ার তথ্য উঠে এসেছে, যার মধ্যে অনেকেই একই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছিল। এমনকি কয়েকজন ইতিমধ্যে died , যা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি জনগণের public trust নাড়া দিয়েছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তৌনসা তহসিল হাসপাতালে serious negligence চলছে। একই syringe পুনরায় ব্যবহার, একই ওষুধের শিশি থেকে বারবার ইনজেকশন নেওয়া, এবং ব্যবহৃত সুঁই improper disposal না করা হচ্ছে। এসব direct risk বাড়িয়ে দিচ্ছে, কারণ ভাইরাস এক শিশু থেকে অন্য শিশুতে ছড়িয়ে পড়ছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের আচরণ infection control মৌলিক নীতির বিরুদ্ধে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ official policy মেনে চলার দাবি করলেও কর্মীদের আচরণ তা নয়। এক চিকিৎসক first warning দিলেও তা গুরুত্ব পায়নি। পূর্বে একই হাসপাতালে অসদাচরণের অভিযোগে কর্মকর্তা বরখাস্ত হলেও পরে reassigned পাওয়ায় সিস্টেমের প্রতি প্রশ্ন উঠেছে। এটি কোনো একক ঘটনা নয়— ২০১৯ সালে সিন্ধুতে ১,৫০০ শিশু similar outbreak আক্রান্ত হয়েছিল, যা পাকিস্তানের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার systemic failure নির্দেশ করে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দূষিত সুঁইই main cause । কিন্তু সামাজিক stigma ও ভয়ের কারণে আক্রান্ত শিশুদের পরিবার তাদের স্কুল বা সামাজিক ক্রিয়াকলাপ থেকে isolation রাখছে। এটি শারীরিক ঝুঁকির পাশাপাশি emotional impact ফেলছে। আক্রান্তদের মধ্যে এক কন্যা আসমা, যে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখে, কিন্তু দুর্বল ব্যবস্থাপনা তার পথে বড় obstacle ।
আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থাগুলো এই ধরনের ঘটনায় ক্রমাগত warning জারি করেছে। ইনজেকশনের unnecessary use এবং সরঞ্জামের ঘাটতি পাকিস্তানসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশে বড় জনস্বাস্থ্য সমস্যা। এ ধরনের সংক্রমণ শুধু প্রযুক্তিগত ব্যর্থতাই নয়, সামাজিক অসমতা ও প্রতিষ্ঠানগত দায়বদ্ধতার অভাবের প্রতীক। স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় urgent reform ছাড়া এই চক্র থামবে না।
একই সিরিঞ্জ বারবার ব্যবহার? এটা শুধু অবহেলা নয়, criminal negligence অপরাধমূলক অবহেলা। কেন এখনো কেউ গ্রেপ্তার হয়নি?
আমার ছোট্ট মেয়ে আছে। এসব খবর পড়ে emotional pressure আবেগীয় চাপ লাগে। কখন এই হাসপাতালগুলো নিরাপদ হবে?
সিন্ধুতে ২০১৯-এ একই ঘটনা হয়েছিল। repeat pattern পুনরাবৃত্তি হচ্ছে, কিন্তু কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তির দায়বদ্ধতা নেই।
প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের ঘাটতি সত্যি, কিন্তু একে excuse অজুহাত বানানো উচিত নয়। প্রতিটি সিরিঞ্জের জন্য নীতি আছে।
আসমা যে চিকিৎসক হতে চায়, তার personal decision ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত আমাকে অনুপ্রাণিত করে। কিন্তু তার স্বপ্ন পূরণে real support বাস্তব সমর্থন প্রয়োজন।
এ ধরনের ঘটনা শুধু পাকিস্তানে নয়, বিশ্বের দরিদ্র অঞ্চলগুলোতে global risk বৈশ্বিক ঝুঁকি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কি আসলেই লক্ষ্য রাখছে?