দেয়ালে রহস্যময় বার্তা রেখে একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা
নওগাঁর নিয়ামতপুরে a family চার সদস্যকে গলা কেটে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। গত সোমবার গভীর রাতে the village এই ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন হাবিবুর রহমান (৩২), তাঁর স্ত্রী পপি সুলতানা (২৫), ছেলে পারভেজ (৯) এবং ৩ বছরের মেয়ে সাদিয়া আক্তার। পুলিশ arrested হাবিবুরের বাবা নমির উদ্দিন (৭০), দুই বোন ডালিমা ও হালিমা এবং ভাগনে সবুজ রানা (২২)।
মঙ্গলবার ভোরে নমির উদ্দিন তাঁর বাড়ির বারান্দায় পুত্রবধূর bloodstained body পড়ে থাকতে দেখেন। পরে ঘরের ভেতর ছেলে এবং নাতি-নাতনির bodies covered লাশ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলের দেয়ালে খোদাই করা হয়েছে দুটি রহস্যময় বার্তা। একটিতে লেখা ‘নমির বেঁচে গেলু, দলিল চাই’, অন্যটিতে ‘এরপর তোর পালা’। স্থানীয়রা বলছেন, এটি হয়তো warning হিসেবে লেখা হয়েছে অথবা তদন্ত divert প্রবাহিত করার চেষ্টা।
নিহত পপি সুলতানার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেছেন, ননদ শিরিনা ও ভাগনে সবুজের সঙ্গে তাঁদের জমিজমা নিয়ে বছরের পর বছর ধরে long-standing conflict চলছিল। তাঁরা আগেও threatened দিত, বলে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি অপরাধীদের জন্য exemplary punishment দাবি করেছেন।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি robbery বা দস্যুতার মতো মনে হচ্ছে না। নিহত গৃহবধূর কানে এখনো সোনার দুল রয়েছে। পুলিশের suspicion ঘটনার পেছনে জমি বা পারিবারিক বিরোধ। দেয়ালের লেখাগুলোকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
নিয়ামতপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
এত brutal নৃশংস হত্যাকাণ্ড, আর কেউ বাঁচেনি? পাড়ার মানুষ কিছু শোনেনি?
‘এরপর তোর পালা’—এই লেখাটা দেখে গা ছমছম করছে। এটা কি সত্যিই শুধু হুমকি নাকি আরও planning পরিকল্পনা আছে?
জমির বিরোধে এতটা extreme চরম হত্যা? আইন-শৃঙ্খলা কোথায় ছিল আগে?
পুলিশ বলছে ডাকাতি নয়, কারণ দুল আছে। কিন্তু হত্যাকারীরা কি শুধু রাগের বশে এমন violence সহিংসতা করেছে?
নমির বেঁচে গেলু—মানে কি তাঁকে জীবিত রেখে ভয় দেখানো হয়েছে? খুব psychological মানসিক চাপ।
নিরীহ শিশুদের মারা... এটা কোনো মানুষের কাজ না। justice বিচার হোক, দ্রুত।
দেয়ালে লেখা থাকা সত্ত্বেও পুলিশ দ্রুত কাজ করছে না কেন? সময় গেলে evidence প্রমাণ মুছে যাবে।
একই পরিবারের ৪ জন! মা-বাবা, দুই ছোট্ট সন্তান। হৃদয় ভেঙে গেছে। peace শান্তি পাক তাঁরা।