সন্দেহজনক ছয়সহ হামে ১০ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৬৮
গত ২৪ ঘণ্টায় হামের কারণে দেশে চারজনের মৃত্যু হয়েছে, আরও ছয়জনের মৃত্যু হামের সঙ্গে linked বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। রোববার (১২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। হামে আক্রান্ত হিসেবে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ১২৬৮ জন, যাদের মধ্যে ১৫০ জনের রোগ confirmed হয়েছে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায়।
গত ১৫ মার্চ থেকে ১২ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৬৩৯ জনের হাম confirmed হয়েছে, আর সন্দেহভাজন আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ হাজার ৬৫৩ জন। এ সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ২৮ জন, আর সন্দেহজনক কারণে মৃত্যু হয়েছে ১৫১ জন। সবচেয়ে বেশি হাম ছড়িয়েছে ঢাকা বিভাগে, যেখানে ৬ হাজার ৬৫৮ জন সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ হাজার ৪৭৩ জনের রোগ confirmed হয়েছে।
হাম এখন আর শুধু একটি শিশুরোগ নয় — বয়স্কদের মধ্যেও এটি ছড়িয়ে পড়ায় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের ওপর pressure বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, টিকার ঘাটতি এবং জনসচেতনতার lack এর পিছনের কারণ। ঢাকার মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় রোগ নিয়ন্ত্রণ করা আরও কঠিন হয়ে উঠছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর ঘোষণা করেছে যে তারা পরিস্থিতির ওপর real-time নজরদারি করছে এবং সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করছে। রোগীদের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা support নিশ্চিত করা হচ্ছে, আর জনগণকে রোগের লক্ষণ চেনার পাশাপাশি সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকায় এত বেশি আক্রান্ত হওয়ায় আমার পরিবারের কাছে ভয় লাগছে। real-time বাস্তব সময়ে তথ্য পেতে পারলে অন্তত সাবধান হতে পারি।
কেন টিকার ঘাটতি হচ্ছে? এত সহজে যদি রোগ ছড়ায়, তাহলে প্রতিরোধের plan পরিকল্পনা কোথায় ছিল?
নিশ্চিত মামার চেয়ে সন্দেহভাজন মৃত্যু বেশি? এটা বোঝাচ্ছে যথাযথ পরীক্ষা হচ্ছে না। এটা গুরুতর উদ্বেগের।
হাম মানুষকে ছোঁয়ার পর আর ঘরে বসে থাকা যায় না। এটা শুধু স্বাস্থ্য নয়, social সামাজিক চাপও তৈরি করছে।
একটা সময় হাম নিয়ে হালকা মনে করা হতো, কিন্তু এখন দেখছি risk ঝুঁকি কম নয়।
জনগণকে সচেতন করা জরুরি। হামের প্রাথমিক লক্ষণগুলো চেনা, আলাদা থাকা, এবং medical চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।