খালেদা জিয়াকে কারাগারে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ জমা ট্রাইব্যুনালে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে the prison বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে the death দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে বলে গত রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়। এই the claim জমা দেন ‘গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া ফোরাম’-এর চেয়ারম্যান কানাডায় বসবাসরত মমিনুল হক মিলন। সোমবার ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম আমার দেশকে বলেন, তারা the complaint গ্রহণ করেছে।
অভিযোগে বলা হয়, ২০১৮ সালে খালেদা জিয়াকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করা হয়। তখন তার বয়স ছিল ৭৫-এর বেশি, এবং তিনি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে কারাগারে ছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় treatment না দেওয়া এবং ধীরে ধীরে তাকে slow poisoning করার মাধ্যমে তার health খারাপ হয়ে যায়।
অভিযোগকারীদের দাবি, খালেদা জিয়াকে বারবার বিদেশে medical care অনুমতি দেওয়া হয়নি, যদিও তার পরিবার ও আইনজীবীরা এর জন্য বারবার request করেছিলেন। চিকিৎসকদের রিপোর্টে বলা হয়েছিল, তিনি লিভার সিরোসিস, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং mental health সমস্যায় ভুগছেন। এমন পরিস্থিতিতে তাকে কারাগারে রাখা হওয়াকে একটি human rights লঙ্ঘন বলা হচ্ছে।
চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম জানান, এটি পারিবারিক ইস্যু হওয়ায় প্রথমে খালেদা জিয়ার পরিবারের সঙ্গে contact করা হবে। তাদের অবস্থান জানার পর এগিয়ে যাওয়া হবে। এ ধরনের allegation মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানটি legal action নেবে কি না, তা এখনও পরিষ্কার নয়।
এত বড় অভিযোগ, কিন্তু কেউ কি প্রমাণ চাইবে না? evidence প্রমাণ ছাড়া এগোনো যায় না।
রাজনীতির খেলায় justice বিচার হারিয়ে যায় সবসময়।
বৃদ্ধ নারীকে কারাগারে রাখা কি মানবতার values মূল্যবোধ মেনে চলা?
ট্রাইব্যুনাল কি কখনো কাজ করবে? নাকি এটা শুধু রাজনৈতিক pressure চাপ তৈরির হাতিয়ার?
সব দেশের মতো আমাদের দেশেও বিরোধীদের কারাগারে ভরাট করা হয়। কিন্তু এখানে মামলাগুলো politically রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়।
কারাগারে চিকিৎসা না পাওয়া একটা বড় issue সমস্যা, আর এটা শুধু খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রে নয়।
যদি সত্যিই বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে, তাহলে এটা শুধু রাজনৈতিক নয়, এটা একটি crime অপরাধ।
আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে, কিন্তু তারা কি বাংলাদেশের internal matters অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে হস্তক্ষেপ করবে?