সুযোগের অপেক্ষায় দেশের স্বার্থবিরোধী শক্তি: প্রধানমন্ত্রী
গতকাল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় পর্যায়ে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ১৫ জন ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে new honor দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিকালে পায়ে হেঁটে সচিবালয় থেকে মিলনায়তনে আসেন, রাস্তার দুই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষের শুভেচ্ছার জবাব দেন হাত নেড়ে। অনুষ্ঠানে তিনি বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তাঁদের আত্মত্যাগকে জাতির inspiration উৎস হিসেবে বর্ণনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বার্থবিরোধী শক্তিগুলো এখনো risk হিসেবে বিদ্যমান। তাঁরা সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উক্তি উদ্ধৃত করেন—‘জাতীয় ঐক্য আমাদের শক্তি, বিভাজন আমাদের দুর্বলতা’। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মতের পার্থক্য থাকলেও তা যেন conflict রূপ না নেয়। দেশ সমৃদ্ধ করতে প্রতিশোধ বা অযথা বাগ্বিতণ্ডা নয়; বরং national unity এবং সহনশীলতার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি আশ্বাস দেন যে বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও সরকার জনগণের স্বার্থে সক্রিয়। জ্বালানি ও অন্যান্য খাতে প্রতিদিন শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে সরকার মানুষের মূল্যস্ফীতির pressure কমাতে চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, সরকার এ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ অব্যাহত রেখেছে কারণ তাঁরা জনগণের প্রতি accountability ।
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ পেয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, যিনি ‘স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে’ অবদানের জন্য সম্মানিত হয়েছেন। তাঁর পক্ষে পুরস্কারটি গ্রহণ করেন নাতনি জাইমা রহমান। মরণোত্তর সম্মান পাওয়া সাতজনের মধ্যে তিনি অন্যতম। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সমাজসেবা এবং জনপ্রশাসনে অবদান রাখা বিশিষ্টজন।
প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পিকেএসএফ, এসওএস শিশুপল্লী এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে সম্মান দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জনগণের প্রতি অমিতব্যয়িতা এড়ানোর আহ্বান জানান এবং বলেন, দায়িত্বশীল আচরণ public trust বাড়াবে। এ ধরনের সংযমই দেশকে স্থিতিশীল রাখবে আন্তর্জাতিক অস্থিরতার মধ্যে।
ভর্তুকি দিতে দিতে সরকারের বাজেট রক্ষা করা কঠিন হচ্ছে। market বাজার স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা ভালো, কিন্তু এটা কতদিন চলবে?
খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর পুরস্কার দেওয়া হয়েছে এটা সত্যিই আশার কথা। রাজনৈতিক বিভাজন কাটিয়ে উঠে জাতীয় মর্যাদা দেওয়াটা unity ঐক্য বাড়াবে।
প্রধানমন্ত্রী বার বার ‘দুশমন সুযোগের অপেক্ষায়’ বলছেন। কিন্তু বাস্তবে কী হচ্ছে? evidence প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের দাবি শুধু ভয় ছড়ায়।
মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে—এটা খুব ভালো লাগল। recognition স্বীকৃতি তাঁদের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।
‘জাতীয় ঐক্য’ নিয়ে কথা বলা ভালো, কিন্তু রাজনৈতিক পক্ষগুলো যদি আসন্ন সময়ে একে অপরের বিরুদ্ধে প্রচার চালায়, trust আস্থা কীভাবে ফিরবে?
পুরস্কারের তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সব ক্ষেত্রেই প্রাসঙ্গিক মানুষদের দেওয়া হয়েছে। decision সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বিবেচনা করে।