ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, মার্কিন নৌবাহিনী flag একটি ইরানি কার্গো জাহাজ seized করেছে, যা উপসাগরে মার্কিন naval blockade ভাঙার চেষ্টা করছিল। 'তৌসকা' নামের ৯০০ ফুট লম্বা এই জাহাজটিকে থামানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তা অমান্য করা হয়। ট্রাম্প platform ট্রুথ সোশ্যালে বলেছেন, জাহাজটির ইঞ্জিনরুমে গুলি করে তাকে থামানো হয়েছিল।
ইরান এই ঘটনাকে violation এবং armed piracy হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। সামরিক সদর দপ্তর খাতাম আল-আনবিয়ার এক মুখপাত্র বলেন, মার্কিন নৌবাহিনী ওমান সাগরে ইরানের একটি commercial জাহাজে হস্তক্ষেপ করেছে এবং নেভিগেশন ব্যবস্থা অচল করেছে। তারা response দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।
এদিকে, হোয়াইট হাউজ confirmed করেছে যে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানে আয়োজিত যুদ্ধবিরতি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন। কিন্তু ইরান এখনো সেই talks অংশ নেওয়ার কথা নিশ্চিত করেনি। তাদের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইরনা এমনকি দ্বিতীয় দফা আলোচনার খবরকে false বলেছে।
যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির উপর blockade চালু রাখার পেছনে ইরানের তেল রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ এবং তেলের বাজারে pressure সৃষ্টির কৌশলগত লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে। ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ পথ দিয়ে হয় everyone পারবে, নয়তো কেউই পারবে না। এই মন্তব্যকে ইরানের ওপর negotiating চাপ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা থেকে শুরু হওয়া সংঘাতের পর পাঁচ সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রাচ্যে হামলা চলে। তারপর দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়, যার মেয়াদ আগামীকাল শেষ হচ্ছে। এর মধ্যেই এই জাহাজ জব্দের মতো ঘটনা tension আরও বাড়িয়ে তুলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, অবরোধ তেলের prices বাড়ানোর ঝুঁকি নিয়ে এসেছে।
যুক্তরাষ্ট্র বলছে নৌ অবরোধ, ইরান বলছে জলদস্যুতা—দুই পক্ষই তাদের narrative বিবরণ তৈরি করছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালি যদি বন্ধ হয়, তেলের cost খরচ বাড়বে, আর জ্বালানির দাম আকাশছোঁয়া হবে।
মার্কিন নৌবাহিনী একটি বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি করেছে? এটা কি international law আন্তর্জাতিক আইন মানা? আমরা যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এমন হামলা দেখছি।
ট্রাম্প ইরানকে চাপে ফেলতে চাইছেন, কিন্তু আমরা সাধারণ মানুষ তার ফলে জীবনযাত্রার খরচ বাড়বে। এই ভূ-রাজনীতি আমাদের পকেটে আঘাত করে।
আলোচনা চলতে থাকুক, কিন্তু এরমধ্যে জাহাজ জব্দ? এটা কি সত্যিই উত্তেজনা কমানোর উদ্দেশ্য পূরণ করবে?
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট আলোচনায় যাচ্ছেন, আর এদিকে নৌবাহিনী গুলি চালাচ্ছে? এটা নাকি mixed signals বিভ্রান্তিমূলক ইঙ্গিত।
একটা কার্গো জাহাজে গুলি চালালে আন্তর্জাতিক সমুদ্রে এটা কি পূর্বাভাস তৈরি করবে? অন্য দেশগুলো কি এখন একে অপরের জাহাজ target লক্ষ্য করবে?