হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজ আটক, দাবি করলেন ট্রাম্প
হরমুজ প্রণালিতে একটি ইরানি পতাকাবাহী জাহাজকে seized করার দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর দাবি, মার্কিন নৌবাহিনী ওমান উপসাগরে ‘তুসকা’ নামের জাহাজটি থামানোর নির্দেশ দেয়, কিন্তু সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পর এটিকে disabled করে দেওয়া হয়। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কে নতুন করে tension তৈরি করেছে।
ট্রাম্প জানান, মার্কিন গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস স্প্রুয়েন্স হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অবস্থান করছিল যখন জাহাজটি অবরোধ অমান্য করে প্রবেশের চেষ্টা করে। এরপর জাহাজটিকে intercepted হয় এবং বর্তমানে এটি মার্কিন মেরিন বাহিনীর control রয়েছে।
এই জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল বলে ট্রাম্প উল্লেখ করেন। তিনি alleged করেন যে, জাহাজটি অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল, যদিও এ বিষয়ে কোনো স্বতন্ত্র সত্যায়ন এখন পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।
এ ঘটনার পর থেকে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এটি আন্তর্জাতিক মহলে concern বাড়িয়েছে যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আবার প্রশ্ন উঠতে পারে। হরমুজ প্রণালি বিশ্বের একটি কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যেখান দিয়ে প্রতিদিন লক্ষাধিক ব্যারেল তেল পরিবহন হয়।
এই ধরনের seizure আটক কেবল আইন প্রয়োগের বিষয় নয়, এটা রাজনৈতিক বার্তাও বয়ে আনে।
ট্রাম্প আবার নির্বাচনের মাঠে? এসব ঘোষণা কি মাত্র একটা showcase প্রদর্শন না?
হরমুজে এমন কিছু হলেই তেলের price দাম লাফ দেয়। সাধারণ মানুষের কথা কেউ ভাবে?
নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা জাহাজ মানেই কি illegal অবৈধ ক্রিয়াকলাপ? প্রমাণ কোথায়?
মার্কিন নৌবাহিনীর এই action কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক আইন মেনে হয়েছে তো?
ইরান কেন চুপ? আসল ঘটনা কি এটাই, নাকি পরে কিছু response প্রতিক্রিয়া আসবে?
আটক জাহাজে কী ছিল, কাদের ছিল, তা না জানলে সম্পূর্ণ ছবি পাওয়া যাচ্ছে না। transparency স্বচ্ছতা চাই।
যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের নিয়ম তৈরি করে নিজেরাই প্রয়োগ করে। এটা কি আদৌ fair ন্যায্য?