বারবার বাংলাদেশি জাহাজ আটকানো নিয়ে ইরানি রাষ্ট্রদূতের ব্যাখ্যা
হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টায় বারবার বাংলাদেশি জাহাজ the vessel আটক হওয়ার ঘটনায় ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদী স্পষ্ট clarification দিয়েছেন। তিনি বলেন, এর পেছনে কূটনৈতিক ব্যর্থতা নয়, বরং miscommunication এবং প্রক্রিয়াগত গোলমাল রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন সময়ে হরমুজে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার প্রত্যাশা ছিল, কিন্তু শর্ত ছিল কঠোর। ইরান শুধুমাত্র তাদের অনুমোদিত পথে এবং পূর্বানুমতি নিয়ে চলাচলের permission দিচ্ছে।
বাংলার জয়যাত্রা জাহাজটি দুবারই এই requirement মানেনি। প্রথমবার যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হওয়ার পর জাহাজটি হরমুজ পার হওয়ার চেষ্টা করে, কিন্তু তখনও ইসরাইল লেবাননে হামলা বন্ধ করেনি, তাই ইরান প্রণালী উন্মুক্ত করেনি। দ্বিতীয়বার, প্রণালী উন্মুক্ত হলেও জাহাজটি prior approval ছাড়া প্রবেশের চেষ্টা করে। ইরানি রাষ্ট্রদূতের মতে, এটি শুধু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নয়—একই নিয়মে ভারতীয় ও অন্যান্য দেশের জাহাজও আটকানো হয়েছে, কিন্তু সেই তথ্য media coverage আসেনি।
তিনি আরও জানান, ইরান বাংলাদেশের প্রতি strategic trust রাখে। এ কারণেই একজন সুন্নি মুসলিমকে বাংলাদেশে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পাঠানো হয়েছে। উল্লেখ্য, ইরানের রাষ্ট্রদূত নিজে ডক্টরেটধারী, প্রাক্তন পার্লামেন্ট সদস্য এবং আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কমিটির সভাপতি ছিলেন। তাঁর মতে, বাংলাদেশি মানুষের ইরানের প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন ইরান সরকারকে deeply impressed করেছে। তবে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, ভুল খবরের কারণে জনগণের মধ্যে নেতিবাচক ধারণা তৈরি হতে পারে।
রাষ্ট্রদূত আশা প্রকাশ করেন যে, বাংলাদেশ সরকার ভবিষ্যতে official channels ব্যবহার করে জাহাজের অবস্থান ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করবে। তিনি বলেন, ইরান বাংলাদেশের জনগণের hardship বুঝতে পারে, বিশেষ করে পেট্রোল সংকটের প্রেক্ষিতে। তাই তারা সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে বাংলাদেশের জাহাজগুলোকে অগ্রাধিকার দিতে প্রস্তুত। কিন্তু একইসাথে তিনি জোর দেন যে, সবার আগে rules মানা আবশ্যিক। হরমুজ প্রণালী এখন কঠোর নির্দেশনার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। যতদিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতি সম্পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত না করবে, ততদিন এ পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে।
জাহাজ আটকানোর কারণে আমদানি মহার্ঘ্য হচ্ছে, আর সাধারণ মানুষ খরচ বহন করছে।
গণমাধ্যম শুধু সেনসেশন তৈরি করছে, truth সত্যটা বলছে না।
আমেরিকা যদি স্বাধীনতা না দেয়, তাহলে ইরানের পক্ষে প্রণালী fully open সম্পূর্ণ খোলা রাখা সম্ভব না।
রাষ্ট্রদূতের মন্তব্য যুক্তিসঙ্গত, কিন্তু বাংলাদেশ কেন repeatedly বারবার একই ভুল করছে?
সুন্নি রাষ্ট্রদূত পাঠানো দেখায় ইরান আসলেই সম্পর্কের genuine value আসল মূল্য দিচ্ছে।
পূর্বানুমতি ছাড়া যাওয়া নিয়মের অমান্য, এটা simple সাধারণ বুদ্ধির ব্যাপার।