ভাঙড়ে নির্বাচনী উত্তেজনায় হাইওয়ে অবরোধ, নওশাদের কনভয়ে হামলার অভিযোগ
ভোটের আগের মুহূর্তে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড় আবারও চরম tension মুখোমুখি। এবার নওশাদ সিদ্দিকীর কনভয়ে attack অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আইএসএফ প্রার্থী ও বর্তমান বিধায়ক নওশাদের গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয় চড়িশ্বর এলাকায়। violence এই ঘটনা পরিস্থিতির উপর আরও চাপ ফেলেছে। নির্বাচন যত কাছাকাছি আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক risk ।
নওশাদের দাবি, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের পরিকল্পিত এই action । তিনি বলেন, হার নিশ্চিত জেনে তাদের পক্ষ থেকে এলাকায় fear ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। একজন ড্রাইভার হামলাকারীকে identify করেছেন বলে তিনি জানান। ঘটনার পর আইএসএফ কর্মীরা বাসন্তী হাইওয়ে অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। এমনকি তৃণমূল প্রার্থী বাহারুল ইসলামের গাড়িও আটকে দেওয়া হয়। পুলিশ struggle খেয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
অন্যদিকে, তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা সমস্ত claim অস্বীকার করেছেন। তাঁর মতে, এটি আইএসএফ-এর একটি staged drama । তিনি একটি ছবি প্রকাশ করে বলেন, অভিযুক্ত যুবক আসলে নওশাদের নিজের দলের কর্মী। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলার জন্যই এই incident ঘটানো হয়েছে। এই পাল্টা accusation আরও বাড়িয়েছে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার heat ।
এই সংঘাত কেবল ভাঙড় নয়, গোটা রাজনৈতিক landscape প্রভাব ফেলছে। নির্বাচনের আগে এমন clash জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। পুলিশ investigation শুরু করলেও এখনও কোনো গ্রেফতার হয়নি। দুষ্কৃতীদের খোঁজে চলছে search । পরিস্থিতি এমনই উত্তপ্ত যে স্থানীয়রা fear প্রকাশ করছেন, আরও বড় কিছু ঘটতে পারে।
ভাঙড় এখন আক্ষরিক অর্থেই বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে। নওশাদ বনাম শওকত মোল্লার মুখোমুখি লড়াইয়ের মধ্যে জনগণের trust ক্রমশ ক্ষয় হচ্ছে। রাজনীতির নামে ক্ষমতার লড়াইয়ে সাধারণ মানুষ হয়ে উঠছেন victim । আগামী দিনগুলিতে কী হবে, তা নির্ভর করছে কারও একটি decision বা রাজনৈতিক strategy এর উপর। তবে একটা কথা স্পষ্ট—ভাঙড়ের মানুষ আর রাজনৈতিক সহিংসতা tolerate করতে চায় না।
ভোটের সময় এমন হামলা? এটা কি এখন নিয়ম হয়ে গেল? risk ঝুঁকি তো সবসময় থাকে, কিন্তু এভাবে লক্ষ্য করা হচ্ছে গাড়িকে!
আইএসএফ আর তৃণমূল দুই পক্ষই বলছে অপরপক্ষ দোষী। কিন্তু প্রমাণ কই? এই drama নাটক চলবে আর মানুষ ভুগবে।
শওকত মোল্লা ছবি দেখিয়েছেন, কিন্তু সেটা কি ভেরিফাই করা হয়েছে? এমন সময় trust আস্থা ফিরে পাওয়া কঠিন।
আমার খুড়ো ভাঙড়ে থাকেন। বলছেন, মানুষ আতঙ্কিত। কেউ বাইরে বেরোতে চায় না। এই fear ভয় দেখে বাজারও ধীরে ধীরে বন্ধ হচ্ছে।
হাইওয়ে অবরোধ? সেটা তো সাধারণ মানুষের ওপর pressure চাপ ফেলবে। আইএসএফ কর্মীরা ভুল করেছে। প্রতিবাদ করা জরুরি, কিন্তু সাধারণ মানুষকে জড়ানো উচিত নয়।
দুই পক্ষই দাবি করছে নিজেদের victim ভুক্তভোগী হিসেবে। কিন্তু আসল ভুক্তভোগী তো সাধারণ মানুষ। রাজনীতির খেলায় তাদের জীবন?