পেটের মেদ কমছে না? তামান্না ভাটিয়ার ট্রেইনার জানালেন লুকানো কারণ
সুঠাম শরীরের লক্ষ্যে অনেকেই ব্যায়াম আর ডায়েটের উপর ভরসা করেন, কিন্তু তারপরও পেটের risk কমছে না কেন? বলিউড অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার ফিটনেস ট্রেইনার সিদ্ধার্থ সিং জানিয়েছেন, তলপেটে মেদ জমার পেছনে শুধু অলস জীবনযাপন নয়, লুকিয়ে থাকে খাবারের এক গোলমাল plan ।
অনেকেই মনে করেন, ‘স্বাস্থ্যকর’ খাবার মানেই তো ক্যালোরি কম। কিন্তু বাস্তবে অনেক new খাবার, যেমন নাট বাটার বা গ্র্যানোলা, দেখতে স্বাস্থ্যকর লাগলেও তাতে লুকিয়ে থাকে প্রচুর ক্যালোরি। এগুলো নিয়মিত খেলে এবং পরিমাণ না মেনে খেলে, তা ওজন কমানোর goal ভাঙতে পারে।
নাট বাটার যদিও প্রোটিন ও ভালো ফ্যাটের উৎস, কিন্তু এর প্রতি চামচেই থাকে প্রায় ১০০ ক্যালোরি। অনেকে এটি টোস্ট বা স্মুদিতে যোগ করে নিয়মিত খান, যা অজান্তেই ক্যালোরির হিসাব বাড়িয়ে দেয়। একইভাবে, গ্র্যানোলাতে প্রায়ই থাকে অতিরিক্ত চিনি ও শুকনো ফল, যা বাজারের product -হিসেবে আকর্ষক হলেও ফিটনেসের ক্ষেত্রে pressure তৈরি করে।
আরেকটি বড় কারণ হলো বিয়ার পান। সপ্তাহে এক গ্লাসও যদি খাওয়া হয়, তবু তা ক্যালোরি বাড়ায় এবং বিপাকক্রিয়াকে slowly করে দেয়। এটি মেদ ঝরানোর প্রক্রিয়ায় বড় barrier হয়ে দাঁড়ায়।
শুধু ব্যায়াম নয়, খাবারের গুণগত মান ও পরিমাণ নিয়েও কঠোর নজরদারি জরুরি। সিদ্ধার্থ সিংয়ের মতে, পেটের মেদ কমাতে হলে বিপাকক্রিয়া সচল রাখা এবং public trust ফিরে পাওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ—অর্থাৎ দেহের প্রতি বিশ্বাস ফিরে পাওয়া।
আমি নাট বাটার সকালে টোস্টে খেতাম, কিন্তু ওজন কমছিল না। এখন বুঝলাম risk ঝুঁকি কোথায় ছিল!
গ্র্যানোলা খেয়ে ফিট হবেন? হা হা। বাজারের অর্ধেক পণ্যই তো শুধু মার্কেটিং।
বিয়ার ছাড়া জীবন কল্পনা করতে পারছি না, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে pressure চাপ বাড়ছে।
ক্যালোরি ক্যালোরি করে সবাই তো মাথা খারাপ করে দিয়েছে। আসল issue সমস্যা হলো ভুল বোঝাবুঝি।
দেহের বিপাক নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না, কিন্তু এটাই তো মূল factor উপাদান।
‘স্বাস্থ্যকর’ লেবেল দেখেই খেয়ে ফেলি। এখন বুঝলাম, লেবেলে নয়, উপাদানে truth সত্য লুকিয়ে।