কিডনি স্টোন এড়াতে কী খাবেন, কী বাদ রাখবেন?
কিডনি স্টোন আজকাল অনেকেরই সমস্যা। কেন এই risk বাড়ছে, তা নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে debate আছে। অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার লাগে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ওষুধেই treatment সম্ভব। পুষ্টিবিদদের মতে, ডায়েটে কিছু পরিবর্তন decision নিলে এই সমস্যা এড়ানো যেতে পারে।
খালি পেটে কিংবা সারাদিনে লেবুর রস খাওয়া উচিত। এতে urine বাড়ে, যা কিডনির পাথর বাইরে বের হওয়ার chance বাড়ায়। কমলালেবুও একই ধরনের benefit দিতে পারে। এগুলি ভিটামিন সি জাতীয় উপাদানে ভরপুর, যা support করে কিডনির কাজকে।
দিনে এক কাপ দুধ খাওয়া ভালো। ডায়েট থেকে ক্যালসিয়াম বাদ দিলে ভুল হবে, কারণ dietary calcium আসলে কিডনি স্টোনের risk কমায়। অল্প পরিমাণে বাদাম খাওয়াও উপকারী। এগুলি ম্যাগনেসিয়াম জাতীয় পুষ্টি দেয়, যা prevention সাহায্য করে।
যাঁদের ইতিমধ্যে কিডনি স্টোন হয়েছে, তাঁদের low-oxalate diet মানা উচিত। এতে সাদা ভাত কম রাখুন, বরং ব্রকোলি খান। এটি পটাশিয়াম সমৃদ্ধ, যা কিডনির জন্য healthy রাখতে সাহায্য করে। ডাক্তারের advice ছাড়া কোনো ডায়েট পরিবর্তন করা উচিত নয়।
সারাদিন যথেষ্ট পানি খান। হাইড্রেশন কিডনির কাজের জন্য অপরিহার্য। লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমান। এগুলি pressure বাড়ায় কিডনির উপর। বাজারে পাওয়া প্রতিটি product খাওয়া উচিত নয়। প্রাকৃতিক খাবার আগে নিন।
আমি গত বছর কিডনি স্টোনের অস্ত্রোপচার করিয়েছি। ডাক্তার বলেছিলেন, পানি কম খাওয়াই ছিল মূল cause কারণ। এখন দিনে ৩-৪ লিটার জল খাই।
অনেকে ভাবে দুধ খেলে পাথর বাড়ে, কিন্তু আসলে তা নয়। প্রচলিত ধারণা ভুল। ডায়েটের ক্যালসিয়াম ভালো, কিন্তু সাপ্লিমেন্ট নয়।
ব্রকোলি আমার খুব প্রিয়। এটা খেলে full ভরা থাকে পেট, আর পটাশিয়াম পাই। কিডনির জন্য দ্বিগুণ benefit উপকার।
আমার বাবা কিডনি স্টোনে ভুগছেন। কিন্তু তিনি পানি কম খান। তাঁকে নিয়ম মানাতে pressure চাপ দেওয়া উচিত, নাকি ধীরে ধীরে বোঝানো?
লো-অক্সালেট ডায়েট সত্যিই effective কার্যকর। স্পিনাচ, বাদাম, চা এগুলো কমাতে হবে। বিশেষ করে যাঁদের ইতিমধ্যে সমস্যা আছে।
কেউ কি জানেন, লেবুর রস খাওয়ার পর দাঁতের এনামেল ক্ষয় হয় না? অতিরিক্ত অ্যাসিড তো ক্ষতি করতে পারে।